পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি বা মহল জন্মাষ্টমীকে কেন্দ্র করে ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালালে অথবা কোনো ধরনের ধর্মীয় উত্তেজনা ছড়ালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি বা মহল জন্মাষ্টমীকে কেন্দ্র করে ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালালে অথবা কোনো ধরনের ধর্মীয় উত্তেজনা ছড়ালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক সভায় আইজিপি এ কথা বলেন।

এ সময় শহীদুল হক পুলিশ কর্মকর্তাদের আসন্ন জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের দেহ তল্লাশি, শোভাযাত্রার রুটে সিসিটিভি স্থাপন ও শোভাযাত্রার ভিডিও ধারণসহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

এ সময় শহীদুল হক বলেন, শোভাযাত্রায় ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকে ফোর্স মোতায়েন করা হবে। এছাড়াও রুফটপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে। জন্মাষ্টমীতে যোগদানকারী বিদেশি অতিথিদের জন্যও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে আসছেন পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মাধ্যমে।

এ সময় আইজিপি সেখানে উপস্থিত হিন্দু নেতাদের অন্য ধর্মের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও সহিষ্ণুতার মধ্য দিয়ে জন্মাষ্টমী উদযাপনের অনুরোধ জানান।

সভায় উপস্থিত হিন্দু নেতারা জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সভায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. মোখলেসুর রহমান, টিএন্ডআইএম’র অতিরিক্ত আইজিপি বিনয় কৃষ্ণ বালা, ডিআইজি (মিডিয়া এন্ড প্ল্যানিং) মো. মহসিন হোসেন, ডিআইজি (প্রশাসন) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, ডিআইজি (অপারেশনস্) ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান, এনএসআই’র পরিচালক মেজবাহ্ উদ্দিন, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) মো. শাহাব উদ্দীন কোরেশী, সিটি এসবির ডিআইজি মল্লিক ফখরুল ইসলাম, সিটিটিসির ডিআইজি মো. মনিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি জয়ন্ত সেন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাপস কুমার পাল, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ্যামল কুমার রায়, ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের প্রতিনিধি নির্মল কুমার চ্যাটার্জী, স্বামীবাগ আশ্রম ইসকনের সাধারণ সম্পাদক মাধব মুরারী দাস, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিনিধি প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস প্রমুখসহ আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Post A Comment: