সুনামগঞ্জে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। ছোট বড় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বন্ধ হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
Sun-flood-water-is-rising-in-Sunamganj 

সুনামগঞ্জে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। ছোট বড় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বন্ধ হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।


বন্যার পানি বাড়ায় জেলার ১১টি উপজেলার সঙ্গে জেলা শহরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।  নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে উপজেলা সদর ও আশ্রয় কেন্দ্রে লক্ষাধিক পরিবার।

জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা, বিশ্বম্ভরপুর, দিরাই, শাল্লাসহ ১১টি উপজেলার বাজারগুলোতে ছোট বড় বিভিন্ন দোকানপাট তলিয়ে গেছে।

রবিবার সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৮৩সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ঘণ্টায় ১৩০মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোপা আমনের ৬৬৫ হেক্টর বীজতলা পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়াও প্রায় চার হাজার হেক্টর রোপা আমনের ফসল তলিয়ে গেছে।

তাহিরপুর উপজেলার বড়দল গ্রামের সবুজ মিয়া, মোব্বাশির, তাহিরপুর বীরনগর গ্রামের সাদেক আলীসহ স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এমন দুর্যোগের সময় জনপ্রনিধিরা কেউ খোঁজ নিচ্ছেন না।

কাদির মিয়া বলেন, ভোট দেওয়ার সময় মেম্বার, চেয়ারম্যানরা বাড়িতে এসে হাতে পায়ে ধরে। আর আমরা বিপদে পড়লে তারা সাহায্য তো দূরের কথা একবার এসে খবরও নেয় না। এখনো পর্যন্ত সরকারি কোনো সহায়তা পাইনি।

তবে জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, বন্যায় পানিবন্দি মানুষের জন্য জেলার ১১টি উপজেলায় তিন মে.টন চাল দেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সুনামগঞ্জে বন্যার পরিস্থিতি আরও অবনতি হচ্ছে। তবে বন্যায় পানিবন্দি মানুষের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

Post A Comment: