যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে বৃষ্টির পানি জমে কাদায় একাকার হওয়ায় গত ছয় বছর ধরে মুসল্লিরা ঈদের নামাজ পড়তে পারেনি। বাধ্য হয়ে ঈদগাহের পাশের রাস্তায় নামাজ আদায় করেছেন। কিন্তু এবার সেই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণে পৌরসভার পক্ষ থেকে আগেই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে পুরো ঈদগাহ মাঠ ত্রিপল ও সামিয়ানা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। ফলে এবার ঈদের দিন বৃষ্টি হলেও নামাজ আদায়ে সমস্যা হবে না।
Six-years-later-Eid-congregations-in-Eidgah-ground-in-Jessore 

যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে বৃষ্টির পানি জমে কাদায় একাকার হওয়ায় গত ছয় বছর ধরে মুসল্লিরা ঈদের নামাজ পড়তে পারেনি। বাধ্য হয়ে ঈদগাহের পাশের রাস্তায় নামাজ আদায় করেছেন। কিন্তু এবার সেই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণে পৌরসভার পক্ষ থেকে আগেই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে পুরো ঈদগাহ মাঠ ত্রিপল ও সামিয়ানা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। ফলে এবার ঈদের দিন বৃষ্টি হলেও নামাজ আদায়ে সমস্যা হবে না।


আগামী ২ সেপ্টেম্বর সুসজ্জিত ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আযহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এখানে ১০ হাজার মুসল্লি নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ের সুযোগ পাবেন বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

জানতে চাইলে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির সদস্য ও প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন বলেন, ২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ১২টি ঈদের জামাত ঈদগাহের পাশের রাস্তায় হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে ঈদ হওয়ায় ঈদগাহের মাঠে নামাজ পড়ার উপযোগী ছিল না। এ জন্য বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামাজ আদায় করতে হয়েছে। সর্বশেষ গত ঈদুল ফিতরের নামাজও রাস্তায় হয়েছে। এবার ঈদুল আযহা উপলক্ষে যশোর পৌরসভার উদ্যোগে পুরো ঈদগাহ মাঠ ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এতে বৃষ্টি হলেও মাঠে কোনো সমস্যা হবে না। মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারবে।

যশোর পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু জানান, বর্ষার কারণে ছয় বছর ধরে ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করা যেত না। এ জন্য এবারের ঈদে যাতে নির্বিঘ্নে ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করা যায় সেই জন্য পুরো মাঠ ত্রিপল ও সামিয়ানা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাপক সুসজ্জিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো মাঠ থাকবে সিসি ক্যামেরাভুক্ত। এছাড়া লাইটিং, ফ্যান ও মাইকের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এর আগে কখনো এমন জাঁকজমকপূর্ণভাবে ঈদগাহ সাজানোর ব্যবস্থা করা হয়নি। এবার আমরা মুসল্লিদের স্বস্তিতে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করেছি। ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে সোমবার সকালে ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও ঈদগাহ কমিটির নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, যশোর পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, জেলা প্রশাসক আশরাফ উদ্দিন, পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সহ-সভাপতি আনোয়ারুল কবির নান্টুসহ অনেকে।

Post A Comment: