রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক আমদানি নিষিদ্ধ বিদেশি সিগারেট ও মোবাইল সেট জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের গোয়েন্দারা। এ সময় চারজন যাত্রীকেও আটক করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে বিমানবন্দরে এ বিপুল সংখ্যক সিগারেট ও মোবাইলসেটসহ তাদের আটক করা হয়। পরিবর্তন ডটকমকে এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মইনুল খান।
শাহজালালে আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট ও মোবাইল জব্দ

    রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক আমদানি নিষিদ্ধ বিদেশি সিগারেট ও মোবাইল সেট জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের গোয়েন্দারা। এ সময় চারজন যাত্রীকেও আটক করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে বিমানবন্দরে এ বিপুল সংখ্যক সিগারেট ও মোবাইলসেটসহ তাদের আটক করা হয়।   সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মইনুল খান।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চারজন যাত্রীর কাছ থেকে তাদের আটটি লাগেজ তল্লাশি করে ৩৭২ কার্টন সিগারেট ও মোবাইলগুলো পাওয়া যায়। মোট ১৮টি মোবাইল ও ৭৪ হাজার ৪০০ শলাকা সিগারেট ছিল। পণ্যের শুল্ক করসহ জব্দ সিগারেটের মূল্য প্রায় ২৯ লাখ ৭৬ হাজার টাকা এবং মোবাইলের মূল্য ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, যাত্রী যথাক্রমে বরিশালের মো. জসিম, ভোলার সাইফুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জের রিপন ও মাজহারুল ইসলাম মালয়েশিয়া থেকে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস ৩১৪ ফ্লাইটে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুমানিক সকাল ৭টায় নামেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ব্যাগেজ বেল্টসহ গ্রিন চ্যানেলে বিশেষ নজরদারি বজায় রাখে। যাত্রী ৬ নম্বর ব্যাগেজ বেল্ট থেকে লাগেজ সংগ্রহ করে গ্রিন চ্যানেলের স্ক্যানিং ফাঁকি দিয়ে দ্রুত চলে যাওয়ার সময় গোয়েন্দারা তাদের গতিরোধ করে। পরবর্তীতে কাস্টমস হলে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে তাদের আটটি লাগেজ খুলে ৭৪ হাজার ৪০০ শলাকা আমদানি নিষিদ্ধ বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করে।

সিগারেটগুলো ৩৭২টি কার্টনে পাওয়া যায়, যার মধ্যে ২৭৭টি কার্টন ইন্দোনেশিয়ার ব্লাকব্র্যান্ডের এবং ৯৫টি কার্টনে ইন্দোনেশিয়ার গুদাং গরম ব্র্যান্ডের। এ ছাড়া এমআই ব্র্যান্ডের ১৮টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

আমদানি নীতি আদেশ অনুযায়ী সিগারেট প্যাকেটের গায়ে বাংলায় ধূমপানবিরোধী সতর্কীকরণ লেখা ছাড়া বিদেশি সিগারেট আমদানি করা যায় না।

সিগারেটের ওপর উচ্চ শুল্ক (প্রায় ৪৫০%) পরিহারের জন্যই এসব সিগারেট অবৈধভাবে আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জব্দ পণ্যের বিষয়ে শুল্ক আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Post A Comment: