হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাইফুল ইসলাম ঝিলিকী নামে এক ‘ডাকাত’ নিহত হয়েছে।
Robbery-killed-in-Habiganj-gunfight 


হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাইফুল ইসলাম ঝিলিকী নামে এক ‘ডাকাত’ নিহত হয়েছে।


বুধবার রাত সোয়া ৩টার দিকে উপজেলার বানিয়াচ-শিবপাশা রোডের আঞ্জন এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধ হয়।

পুলিশ জানায়, নিহত সাইফুল ইসলাম ঝিলকীর ডাকাত দলের সর্দার। তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা, চারটি ডাকাতি, একটি চুরির ও চারটি দ্রুত বিচার আইনের মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আটটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বানিয়াচং থানায় মুলতবি আছে।

নিহত ঝিলকী বানিয়াচং উপজেলা সদরের মাদারীটুলা গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে।

বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক জানান, বুধবার বিকালে গোপন সংবাদে পুলিশ উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামের ইছমত মিয়ার নির্জন বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ডাকাত ঝিলকী ও তার সহযোগী মন্তাজ মিয়াকে আটক করে।

পরে ঝিলকীর দেয়া তথ্য মতে, তাকে নিয়ে পুলিশ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সহযোগী ডাকাতদের গ্রেপ্তার করতে বানিয়াচং শিবপাশা রোডের আঞ্জন এলাকায় অভিযানে যায়।

রাত সোয়া ৩টার দিকে আঞ্জন দিঘীরপার সংলগ্ন ব্রিজের উপর পৌঁছামাত্র রাস্তার দুপাশ থেকে তার সহযোগীরা রাস্তায় ব্যারিকেড দেয় এবং ঝিলকীকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় রাস্তার দু’পাশের হাওর হতে ডাকাতরা এলোপাতারি গুলি ছুঁড়তে থাকে। পুলিশও ১৫ রাউন্ড শর্টগানের গুলি চালায়।

একপর্যায়ে সহযোগী ডাকাতদের গুলিতে ঝিলকী গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, তিন রাউন্ড কার্তুজ, ৮টি গুলির খোসা, ৪টি রামদা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। তাদের মধ্যে একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন।

আহতরা হলেন- এসআই প্রদীপ (গুলিবিদ্ধ), এসআই বিশ্বজীৎ, এসআই হারুনুর রশীদ।

সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, কুখ্যাত ডাকাত ঝিলকীর বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাইসহ ৮টি মামলা আছে। পুলিশের গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য তিনি বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে থাকতেন।

Post A Comment: