ভারতে তিন তালাক প্রথাকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে রায় দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ। মঙ্গলবার সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের মতামতের ভিত্তিতে এ রায় দেওয়া হয়। খবর এনডিটিভি, বিবিসি ও আলজাজিরার। একই সঙ্গে আদালত তিন তালাক প্রথা ইসলাম ধর্মপালনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত নয় বলেও জানিয়েছেন। পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বিচারক বেঞ্চের দুই সদস্য আপাতত তিন তালাক প্রথা বন্ধ রেখে নির্দিষ্ট আইন তৈরির জন্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
Muslim-divorce-is-prohibited-in-India 

ভারতে তিন তালাক প্রথাকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে রায় দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ। মঙ্গলবার সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের মতামতের ভিত্তিতে এ রায় দেওয়া হয়। খবর এনডিটিভি, বিবিসি ও আলজাজিরার। একই সঙ্গে আদালত তিন তালাক প্রথা ইসলাম ধর্মপালনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত নয় বলেও জানিয়েছেন। পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বিচারক বেঞ্চের দুই সদস্য আপাতত তিন তালাক প্রথা বন্ধ রেখে নির্দিষ্ট আইন তৈরির জন্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন।


তবে অন্য তিন বিচারক এই প্রথাকে সরাসরি ‘অসাংবিধানিক’ এবং ‘অনৈসলামিক’ বলে রায় দেন।

রায়ে প্রধান বিচারপতি জেএস খেহর এবং বিচারপতি এস আব্দুল নাজির ছয় মাসের জন্য তিন তালাক প্রথা বন্ধ রেখে এই সময়ের মধ্যে সরকারকে নির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন করার কথা বলেছেন।

কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ তিন বিচারপতি কুরিয়ান জোসেফ, রোহিন্টন এফ নারিম্যান ও উদয় উমেশ ললিত এই প্রথাকে অসাংবিধানিক বলায় ভারতে এখন থেকে তিন তালাক প্রথা নিষিদ্ধ হয়ে গেল।

আদালতে বিচারকরা তিনটি পৃথক রায় দেন এবং আলাদাভাবে সেগুলো পড়ে শোনানো হয়।

তিন তালাক প্রথা নিয়ে দেশটিতে বিতর্ক ওঠার পর ইসলাম ধর্মপালনের সঙ্গে এর যোগসূত্র খুঁজতে মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান, পার্শি ও হিন্দু ধর্মের পাঁচ বিচারপতি নিয়ে এই সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠন করা হয়।

কর্নাটকের এক হিন্দু নারী সম্পতির অধিকার নিয়ে মামলার সূত্রপাত করেন। পরে সায়রা বানো, আফরিন রহমান, গুলশান পারভিন, ইশরাত জাহান ও আতিয়া সাবরি নামের কয়েকজন তালাকপ্রাপ্ত নারী তিন তালাক প্রথার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।

এরপর অনেকগুলো সংগঠন, সরকারি দপ্তর, জাতীয় নারী কমিশন ও অন্যান্য ব্যক্তিরা এই মামলায় জড়িয়ে পড়েন।

Post A Comment: