২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় নিহত হন পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার আলীপুরা গ্রামের মামুন মৃধা। গ্রেনেড হামলার এক যুগের বেশি সময় কেটে গেলেও সন্তান হত্যার বিচার না পেয়ে এখন হতাশ মামুনের পরিবার। মৃত্যুর আগে একমাত্র সন্তানের খুনিদের বিচার দেখে যেতে চান তারা।
Mamuns-father-in-law-wants-Mamun-to-die 

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় নিহত হন পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার আলীপুরা গ্রামের মামুন মৃধা। গ্রেনেড হামলার এক যুগের বেশি সময় কেটে গেলেও সন্তান হত্যার বিচার না পেয়ে এখন হতাশ মামুনের পরিবার। মৃত্যুর আগে একমাত্র সন্তানের খুনিদের বিচার দেখে যেতে চান তারা। 


দেখতে দেখতে পার  হয়ে গেছে ১৩টি বছর। একমাত্র পুত্র মামুন হত্যার বিচারের আশায় বুক বেঁধে আছেন মা মোরশেদা বেগম। ছেলের জন্য কাঁদতে কাঁদতে শুকিয়ে গেছে তার চোখের জল। হত্যাকারীদের বিচার হয়েছে এমনটা দেখে মরতে চান তিনি।

কবি নজরুল কলেজের দ্বাদশ বর্ষের মেধাবী ছাত্র মামুন বড় হয়ে পরিবারের হাল ধরবে এমনটাই প্রত্যাশা ছিল তার বাবা-মায়ের। বাবা মোতালেব মৃধা স্ব-মিল শ্রমিক। হতদরিদ্র এই  পরিবারের আশার আলো নিভে যাওয়ায় পুরো পরিবার এখন হতাশার সাগড়ে হাবুডুব খাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় সহযোগিতা পেলেও তাদের একটাই দাবি দ্রুত তাদের সন্তান হত্যার বিচার হোক।

দীর্ঘ সময় পার হলেও সরকার দ্রুত ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার দোষীদের বিচার করে শাস্তি প্রদান করবে এমনটাই দাবি এলাকার মানুষের। শহীদ মামুনের নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হলে তার স্মৃতি রক্ষা পাবে বলে মনে করেন তারা।

Post A Comment: