লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে জনতা মা-শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন সিভিল সার্জন। ১৭ জুন সংবাদ প্রকাশিত হয় জনতা মা-শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় একটি হাত হারাতে বসেছে ৪ বছরের শিশু নাঈম। এছাড়া ডাক্তার ও প্রশিক্ষিত নার্স ছাড়াই চলছে হাসপাতাল। রিপোর্ট প্রকাশের পর ৩০ জুলাই লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোস্তফা খালেদ আহমেদ হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে তিনি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ডাক্তার ও প্রশিক্ষিত কোনো নার্স না থাকা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না থাকায় সোমবার সকালে হাসপাতালটি বন্ধের জন্য চিঠি দেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক ও মহাপরিচালক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অনুলিপি প্রদান করেন।
Instructions-for-closure-of-public-parents-parents-and-general-hospitals-in-Laxmipur

    লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে জনতা মা-শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন সিভিল সার্জন। ১৭ জুন  সংবাদ প্রকাশিত হয় জনতা মা-শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় একটি হাত হারাতে বসেছে ৪ বছরের শিশু নাঈম। এছাড়া ডাক্তার ও প্রশিক্ষিত নার্স ছাড়াই চলছে হাসপাতাল।
 রিপোর্ট প্রকাশের পর ৩০ জুলাই লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোস্তফা খালেদ আহমেদ হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে তিনি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ডাক্তার ও প্রশিক্ষিত কোনো নার্স না থাকা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না থাকায় সোমবার সকালে হাসপাতালটি বন্ধের জন্য চিঠি দেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক ও মহাপরিচালক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অনুলিপি প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, রামগঞ্জ উপজেলার নোমান পাটোয়ারীর একমাত্র ছেলে মাহবুবুর রহমান নাঈমকে গত ৩০ মে জ্বরের চিকিৎসার জন্য লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জে জনতা মা-শিশু ও জেনারেল হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ আলীর অধীনে ভর্তি করা হয়। এ সময় তার বাম হাতে ক্যানোলা স্থাপন করা হয়। কিন্তু ক্যানোলা স্থাপনের পর থেকে তার হাতে ব্যথা শুরু হয়। চিকিৎসার দ্বিতীয় দিনে ক্যানোলা মারাত্মক ইনফেকশন হয়ে নাঈমের হাত কালচে হয়ে যেতে থাকে। চার দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর অবস্থার আরও অবনতি হলে এক পর্যায়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে অন্যত্র নিয়ে যেতে বলে।

নাঈমের মা না আসতে চাইলে জোরপূর্বক হাসপাতাল থেকে তাদের বের করে দেওয়া হয়। পরে হাসপাতালের মালিকের সাথে তার পরিবারের লোকজন এ ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে উল্টো তাদেরকে হুমকি-ধমকি দিয়ে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে শিশুটিকে ঢাকায় এনে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে তারা হাত কেটে ফেলতে বলেন।

শিশুটির বাবা প্রশাসনের নিকট এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবী করেন।

Post A Comment: