দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের রিট খারিজের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা চলতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
GATCO-case-against-Khaleda-will-continue
 

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের রিট খারিজের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা চলতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।


আদালতে খালেদার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

এর আগে ২০১৬ সালের ১০ মে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন খালেদা জিয়া।

২০১৫ সালের ৫ আগস্ট গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ও বিচারপতি আবদুর রবের বেঞ্চ।

একইসঙ্গে আদেশের অনুলিপি বিচারিক আদালতে পৌঁছার দুই মাসের মধ্যে খালেদা জিয়াকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়।

২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পায়। এরপর ৫ এপ্রিল বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন খালেদা জিয়া। পরে তিনি জামিন পান।

অভিযোগপত্র দাখিলের পর মামলাটি বর্তমানে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে অভিযোগ গঠন পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

সেনা নিয়ন্ত্রিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্যাটকোসহ তিনটি মামলা হয়। আদালতের স্থগিতাদেশে আটকে যাওয়ার দীর্ঘদিন পর গত বছর মামলাগুলো সচল করার উদ্যোগ নেয় দুদক।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন।

Post A Comment: