বগুড়ার শাজাহানপুরে পুলিশ হেফাজতে মাসুদুল হক পিন্টু নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যুর করেছেন তার স্বজনরা। তবে পুলিশ তাদের এ দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে।
Complaints-of-death-of-BNP-leader-in-police-custody 

বগুড়ার শাজাহানপুরে পুলিশ হেফাজতে মাসুদুল হক পিন্টু নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যুর করেছেন তার স্বজনরা। তবে পুলিশ তাদের এ দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে।


মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহত পিন্টু উপজেলার আশেকপুর ইউনিয়নের শাবরুল গ্রামের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন। শাজাহানপুর থানায় চলতি মাসে দায়ের করা একটি মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিও ছিলেন তিনি।

নিহতের ভাগিনা সুমন জানান, পুকুর নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে দায়ের করা একটি মামলায় মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ তার মামা মাসুদুল হক পিন্টুকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে মারপিট করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি।

কৈগাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনিছুর রহমান মারপিটের কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, তাকে কোন মারপিট করা হয়নি। স্ট্রোক করে তিনি মারা গেছেন। পিন্টু শাজাহানপুর থানায় একটি মামলার (মামলা নং-১৯) এজাহারভুক্ত আসামি। মঙ্গলবার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসার পথে রানীরহাট এলাকায় তিনি স্ট্রোক করেন। এরপর তার স্বজনদের সাথে তাকে মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি মারা যান।

Post A Comment: