লন্ডনের বিখ্যাত ও ঐতিহ্যবাহী ঘড়ি ‘বিগ বেন’ ১৫৭ বছর পর আজ সোমবার থেকে সংস্কার কাজের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ হচ্ছে। ২০২১ সাল পর্যন্ত আর শোনা যাবে না বিগ বেনের ঘণ্টাধ্বনি।
Big-Ben-is-closed-today 

লন্ডনের বিখ্যাত ও ঐতিহ্যবাহী ঘড়ি ‘বিগ বেন’ ১৫৭ বছর পর আজ সোমবার থেকে সংস্কার কাজের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ হচ্ছে। ২০২১ সাল পর্যন্ত আর শোনা যাবে না বিগ বেনের ঘণ্টাধ্বনি।


১৫৭ বছর ধরে প্রতি ঘন্টায় বিগ বেন-এর ঘন্টাধ্বনি বাজছে। আজ সোমবার দুপুরে শেষবারের মতো রানী এলিজাবেথ টাওয়ার থেকে ঘড়িটির ঘন্টাধ্বনি শোনা যাবে।

ব্রিটেনের একদল এমপি আজ শেষবার যখন ঘন্টাটি বাজবে তখন পার্লামেন্টের সামনে দাঁড়িয়ে মাথা নত করে এই ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানাবেন বলে পরিকল্পনা করেছেন। লেবার পার্টির এমপি স্টিফেন পাউন্ড আশা করছেন, অন্তত ২০ জন এমপি এতে যোগ দেবেন।

এদিকে হাউজ অব কমন্স বলছে, এত লম্বা সময় ধরে 'বিগ বেন' ঘড়ি বন্ধ থাকার বিষয়টি আবার বিবেচনা করে দেখা হবে।

ইউকে পার্লামেন্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, সংস্কারের জন্য বিগ বেন আপাতত বন্ধ রাখা ছাড়া কোনো উপায় নেই। তবে নতুন বছরকে বরণসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু অনুষ্ঠানের সময় এই ঘড়িটি থেকে ঘণ্টাধ্বনি শোনা যাবে।

বিগ বেনের রক্ষণাবেক্ষণকারী স্টিভ জাগস বলেন, বিগ বেনের যেমন সংস্কার করতে হবে, তেমনি এলিজাবেথ টাওয়ারেরও সংস্কার প্রয়োজন। এ কারণে দীর্ঘ সময় ঘড়িটি বন্ধ রাখা হবে। ৯৬ মিটার লম্বা এই টাওয়ারে স্থাপিত ঘড়িটির ওজন ১৩ দশমিক ৭ টন।

‌এর আগে প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে বলেন, এত জনপ্রিয় ঘন্টাধ্বনি ২০২১ সাল পর্যন্ত বন্ধ রাখা ঠিক হবে না। সময়ের বিষয়টা পর্যালোচনা করে দেখার অনুরোধ করেছিলেন তিনি।

সংস্কার কাজের জন্য ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত এবং ২০০৭ সালে সাময়িকভাবে 'বিগ বেন' ঘড়িটি বন্ধ ছিল।

সংস্কার প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী অ্যাডাম ওয়াটরোবস্কি বলেন, ভবনটি আরও আধুনিক করা হবে। এতে লিফট, প্রসাধন কক্ষ ও রান্নাঘরও রাখা হবে। এছাড়া বিগ বেনের প্রতিটি খণ্ড পরিষ্কার ও সংস্কার করা হবে। সংস্কারে দুই কোটি ৯০ লাখ পাউন্ড ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

Post A Comment: