নিজেকে কার্লোসের একমাত্র বিবাহিত স্ত্রী বলে দাবি করছেন অভিনেত্রী সাবিনা রিমা। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে এ কথা প্রিয়.কমকে জানান। বিভিন্ন গণমাধ্যমে কার্লোসের যে একাধিক স্ত্রী আছে বলে খবর প্রকাশ করা হয়েছে তা মিথ্যা দাবি করলেন তিনি। রিমাই কার্লোসের একমাত্র স্ত্রী। ২০১৫ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন তারা। তবে বিয়ের কয়েকমাস পর থেকেই দুজনার সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছিলো না। তাই এ বছরের জানুয়ারি মাস থেকে তারা আলাদা ছিলেন। আর যে রাতে কার্লোস তার পরীবাগের বাসায় গৃহকর্মীকে হত্যা ও ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়েছিল বলে অভিযোগ করা হচ্ছে, ঐ রাতে সাবিনা রিমা পরীবাগের বাসায় ছিলেন না। ঐ দিন তিনি দীপ্তটিভিতে ‘অপরাজিতা’ ধারাবাহিক নাটকের সেটে ছিলেন।



নিজেকে কার্লোসের একমাত্র বিবাহিত স্ত্রী বলে দাবি করছেন অভিনেত্রী সাবিনা রিমা। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে এ কথা প্রিয়.কমকে জানান। বিভিন্ন গণমাধ্যমে কার্লোসের যে একাধিক স্ত্রী আছে বলে খবর প্রকাশ করা হয়েছে তা মিথ্যা দাবি করলেন তিনি। রিমাই কার্লোসের একমাত্র স্ত্রী। ২০১৫ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন তারা। তবে বিয়ের কয়েকমাস পর থেকেই দুজনার সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছিলো না। তাই এ বছরের জানুয়ারি মাস থেকে তারা আলাদা ছিলেন। আর যে রাতে কার্লোস তার পরীবাগের বাসায় গৃহকর্মীকে হত্যা ও ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়েছিল বলে অভিযোগ করা হচ্ছে, ঐ রাতে সাবিনা রিমা পরীবাগের বাসায় ছিলেন না। ঐ দিন তিনি দীপ্তটিভিতে ‘অপরাজিতা’ ধারাবাহিক নাটকের সেটে ছিলেন। 

আর বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সাবিনা রিমা নামে যে মেয়েটির কথা বলা হচ্ছে সে ছিল অন্য মেয়ে। রিমা প্রিয়.কমকে বলেন, ‘অনেকগুলো পত্রিকায় খবর প্রকাশ হয়েছে যে আমি নাকি কার্লোসের রক্ষিতা। আমি শুনে অবাক হয়েছি। আমি কার্লোসের একমাত্র বিবাহিত স্ত্রী। ওর অন্য কোনো স্ত্রী নেই। থাকলে আমি জানতাম। আর বলা হচ্ছে যে আমি সেদিন আহত হয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে এসেছি। আমি যদি আহত হতাম তাহলে এখন শুটিং করছি কীভাবে? আসলে ঐদিন অন্য একটি মেয়ে ছিল বাসায়। আর সে মেয়েটির ছবি প্রকাশ করেছে একটি পত্রিকা। হ্যাঁ, কার্লোস ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল এটা সত্য। আর এ কারণেই আমাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। আমি ওর থেকে আলাদা থাকা শুরু করি।’ 


এদিকে গত ৯ ঘণ্টা আগে রিমা তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেই স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হল এখানে। 

‘আমি এতদিন চুপ ছিলাম তার একটাই কারণ। আমি দেখতে চেয়ে ছিলাম মিথ্যা কতদিন চলতে থাকে আর সত্য কবে সবার সামনে আসবে। সত্য সামনে এসেছে। আমাকে নিয়ে পত্রিকায় লেখালিখি হয়েছিল। কার্লোস সালেহ এর বাসায় যে ঘটনা ঘটেছে আমি নাকি কার্লোস সালেহ এর সাথে ওইদিন রাতে ওই ফ্ল্যাটে ছিলাম এবং আমাকে নির্যাতন করা হয়। পরে পুলিশ আমাকে হাসপাতালে আহত অবস্থায় ভর্তি করে এবং পরে মান-সম্মানের ভয়ে আমি হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যাই। এসব দেখার পর আমি শাহবাগ থানায় যোগাযোগ করি এবং এসব মিথ্যা সংবাদগুলোর ব্যাপারে জানাই। তারা আমাকে মিথ্যা সংবাদের ব্যাপারে তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে। আমি হয়তো অনেক বড় কিছু হয়ে যাইনি মিডিয়াতে কিন্তু সমাজে আমার একটা অবস্থান তৈরি হয়েছে বা হচ্ছে। আমার নিজস্ব কিছু ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষী আছে।সবচেয়েও বড় কথা, আমার পরিবার আছে। আপনারা যারা আমাকে অনেক কথা বলেছেন, তারা দয়া করে সংবাদগুলো যাচাই করবেন।’ 

সাবিনা রিমা শুরুতে একুশে টিভির ‘মুক্ত খবরে’র উপস্থাপিকা ছিলেন। পরে ২০১২ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। লাক্স সুন্দরী বিজয়ী হওয়ার পর রিমা টেলিকম কোম্পানি এয়ারটেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে কাজ করছেন। ‘ছেলেটি আবোল তাবোল মেয়েটি পাগল পাগল’ নামে একটি ছবিতে দেখা গিয়েছিল তাকে। বর্তমানে দীপ্ত টিভির ‘অপরাজিতা’ ধারাবাহিক নাটকটিতে তিনি অভিনয় করছেন। 

বলে রাখা ভালো, আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ ওরফে সালেহ চৌধুরী বা কার্লোস বর্তমানে হত্যা চেষ্টা মামলায় জেল হাজতে আছেন। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা চেষ্টা, ইয়াবা ব্যবসা করাসহ একাধিক অভিযোগ আছে। 

Post A Comment: