আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকার ২২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির বাসিন্দা সৈয়দ মো. ইয়াসিন হীরা বলেন, ২৪ জুলাই সোমবার দুপুরে আমার বাড়ির নিচতলা প্রায় পৌনে পাঁচ ফুট পানির নিচে ডুবে গেছে। আমার ব্যক্তিগত গাড়িটি গ্যারেজের ভেতরে পানিতে পুরো ডুবে আছে। চিকিৎসক স্ত্রী হাসপাতালে যেতে পারেনি।



বৃষ্টির পানিতে রাস্তা ডুবে যাওয়ায় চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ, হালিশহরসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের মধ্যে নৌকা কেনার হিড়িক পড়েছে। বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তারাও অফিস ও বাজারে যাওয়া আসার জন্য ডিঙি নৌকা কিনেছেন। আর তাদের দেখেই নৌকা কেনায় ঝুঁকছেন সাধারণ মানুষ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত চার দিনের টানা বৃষ্টি ও বঙ্গোপসাগরের প্রবল জোয়ারে নগরীর চান্দগাঁও, চকবাজার, খাতুনগঞ্জ, সদরঘাট, বাকলিয়া, হালিশহর, ষোলশহর, খুলশী, বায়েজীদ, অক্সিজেন, চাক্তাই, মোহরা, মদুনাঘাট, মুরাদপুর, আগ্রাবাদসহ বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। এসব এলাকার মানুষ চলাচলের জন্য এখন ডিঙ্গি নৌকা কেনা শুরু করেছেন।

চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-৪ কার্যালয় সূত্র জানায়, আগ্রাবাদ সিডিএ এলাকার ১ নম্বর সড়কের ছয়তলা ভবনে ১৭টি এবং একই সড়কের হাতেখড়ি স্কুলের বিপরীতে ১৬ তলা ভবনে ৫৭টি অঞ্চলভিত্তিক কর কার্যালয় রয়েছে। দুই ভবনে প্রায় সাড়ে ৪০০ কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছেন।

চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-৪ এর কর কমিশনার আহমদ উল্লাহ বলেন, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে অফিসে উপস্থিত থাকতে হয়। আমাদের জন্য সরকারি গাড়িও আছে। কিন্তু বৃষ্টি ও জোয়ারে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে অফিসে যাতায়াতের সড়কটি দেড় থেকে চার ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। এ জন্য ১১ জুলাই ২৬ হাজার টাকা দিয়ে আমরা একটি নৌকা কিনেছি।


আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকার ২২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির বাসিন্দা সৈয়দ মো. ইয়াসিন হীরা বলেন, ২৪ জুলাই সোমবার দুপুরে আমার বাড়ির নিচতলা প্রায় পৌনে পাঁচ ফুট পানির নিচে ডুবে গেছে। আমার ব্যক্তিগত গাড়িটি গ্যারেজের ভেতরে পানিতে পুরো ডুবে আছে। চিকিৎসক স্ত্রী হাসপাতালে যেতে পারেনি।

সৈয়দ মো. ইয়াসিন আরও বলেন, যাতায়াত সমস্যা দূর করতে সীতাকুণ্ড থেকে একটি নৌকা কেনার কথাবার্তা চলছে। তবে আমাদের সিডিএ এলাকার বাসিন্দারা চারটি নৌকা ইতোমধ্যে কিনেছেন।

একইভাবে নগরীর বাকলিয়া ও চাক্তাই এলাকার বাসিন্দারাও চলাচলের জন্য গাড়ি ছেড়ে এখন নৌকা কেনা শুরু করেছেন। এসব এলাকার বিভিন্ন সড়কে গাড়ির বদলে নৌকা চলাচল করতে দেখা গেছে। নগরীর মুরাদপুর ও ষোলশহর দুই নম্বর গেইট এলাকায়ও সড়কের ওপর নৌকা চলতে দেখা গেছে।

Post A Comment: