ভারি বর্ষণে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বুধবার উপজেলা সদরের অধিকাংশ এলাকা ডুবে গেলেও বৃষ্টি কমে যাওয়ায় এসব এলাকা থেকে পানি নেমে যাচ্ছে। নাইক্ষ্যংছড়ি-রামু সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

    ভারি বর্ষণে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বুধবার উপজেলা সদরের অধিকাংশ এলাকা ডুবে গেলেও বৃষ্টি কমে যাওয়ায় এসব এলাকা থেকে পানি নেমে যাচ্ছে। নাইক্ষ্যংছড়ি-রামু সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।


এদিকে বুধবার বিকেলে উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ফকিরপাড়ায় পাহাড়ধসে ছেমনা খাতুন (৫৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন মেয়ে আমেনা খাতুন (২৫)।

ঘুমধুম পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সজীব এ তথ্য জানিয়েছেন।

অন্যদিকে চাকঢালা এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোরে পাহাড়ধসে একটি মাটির ঘর ভেঙে গেলেও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পাহাড়ধসের আশঙ্কায় লোকজন আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল জানান, হঠাৎ করে পাহাড়ি ঢলে নাইক্ষ্যংছড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এলাকার আশপাশের বেশিরভাগ ঘর মাটির তৈরি হওয়ায় প্রবল বর্ষণে তা ভেঙে পড়ছে।

এছাড়া পাহাড়ধসের ঝুঁকি রয়েছে। লোকজনদের নিরাপদে থাকার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে।

ঘুনধুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির আজিজ জানান, ভারি বর্ষণের কারণে পাহাড়ধস ও বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।

তবে বান্দরবানের লামা উপজেলায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। লোকজন বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে।

জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষিপদ দাস জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বান্দরবান সদর লামা ও নাইক্ষ্যংছড়িতে সার্বিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে পাহাড়ধসে নিহতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, বান্দরবানের সঙ্গে রুমা ও কাপ্তাইয়ের সড়ক যোগাযোগ এখনো চালু হয়নি।

Post A Comment: