আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে বড় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। এ বন্যা মোকাবেলায় যেসব বাঁধ দুর্বল সেগুলোকে ঠিক করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
The-danger-of-large-floods-in-August-the-issue-of-the-preparation-of-Paubo

    আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে বড় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। এ বন্যা মোকাবেলায় যেসব বাঁধ দুর্বল সেগুলোকে ঠিক করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।


বুধবার সচিবালয়ে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন পানিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত কার্য-অধিবেশন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের একথা জানান।

এসময় আনিসুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বেশিরভাগ নদীর পানি বিপদসীমার নিচে আছে। জলাবদ্ধতা আর বন্যার পার্থক্য কিন্তু আপনাদের বুঝতে হবে। সাধারণত বড় বন্যা হয় যখন পদ্মা, মেঘনা এবং যমুনার পানি এক সাথে বাড়ে। আর সাথে যদি সাগরে তখন অমাবস্যা থাকে, তখন বন্যার প্রকোপ হয়। এবার ইতোমধ্যে দ্বিগুণ বৃষ্টি হয়েছে। সেজন্য আমরা মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের একটা ওয়ার্নিং দিয়ে রাখছি যে একটা (বড় বন্যার) সম্ভাবনা আছে।

মন্ত্রী বলেন, আর এই বন্যাটা হয় আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে। সেটার জন্য একটা প্রস্তুতি নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বিশেষভাবে বলা হয়েছে। যেসব বাঁধ দুর্বল সেগুলোকে ঠিক করতেও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, জানান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

তিনি বলেন, বন্যা অর্থ যেটা আমরা বোঝাই, সেই বন্যা কিন্তু এখনো কোথাও হয়েছে বলে আমার জানা নাই। যেটা হচ্ছে সেটা হচ্ছে বাঁধের বাইরের জায়গা যেগুলো আছে সেগুলো এবং এই জায়গাগুলো কিন্তু রাখা হয়েছে নদীর পানি প্রবাহের জন্যই। বন্যা হয়েছে যমুনার যে চরগুলো আছে সেখানে, বন্যা এখন হচ্ছে চট্টগ্রামের দিকে।

সম্মেলনে ডিসিরা নদী ভাঙন নিয়ে কথা বলেছেন জানিয়ে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, নদী ভাঙবেই, নদীর একটা জিনিস আমরা বুঝতে চাই না, নদীগুলোর ক্যাচমেন্ট এরিয়ার ৯৩ ভাগ কিন্তু বাংলাদেশের বাইরে। ভারতে কিন্তু বন্যা হয়েছে, বন্যায় লোকও মারা গেছে, বাংলাদেশে কিন্তু সে রকম ঘটনা ঘটেনি। ভাঙনের যে সমস্যাগুলো আছে সেগুলো আমরা দেখছি। ভাঙন প্রতিরোধ করা খুব ব্যয়বহুল বিষয়। যে রিসোর্স আছে সেই রিসোর্সের মধ্যে করার চেষ্টা করছি। আমরা বিভিন্ন জায়গায় প্রকল্প নিয়েছি। এর সঙ্গে খনন ও ড্রেজিং যোগ করেছি।

আগামীতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মোট বাজেটের অর্ধেক অর্থ ড্রেজিংয়ের জন্য ব্যয় করা হবে বলেও জানান পানিসম্পদ মন্ত্রী।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই কার্যঅধিবেশনে অংশ নেন।

Post A Comment: