সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় যমুনা নদী তীর সংরক্ষণে নির্মাণাধীন সেই বাঁধে আবারো ধস দেখা দিয়েছে। সোমবার দুপুরে খাস কাউলিয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে বাঁধটির অন্তত ২৫ মিটার এলাকা ধসে যায়। এ নিয়ে গত তিন মাসের ব্যবধানে বাঁধটির বিভিন্ন পয়েন্টে মোট ১২ বারের মতো ধস ও ভাঙন দেখা দিল।


    সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় যমুনা নদী তীর সংরক্ষণে নির্মাণাধীন সেই বাঁধে আবারো ধস দেখা দিয়েছে। সোমবার দুপুরে খাস কাউলিয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে বাঁধটির অন্তত ২৫ মিটার এলাকা ধসে যায়। এ নিয়ে গত তিন মাসের ব্যবধানে বাঁধটির বিভিন্ন পয়েন্টে মোট ১২ বারের মতো ধস ও ভাঙন দেখা দিল।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে যমুনা নদীর ভাঙন থেকে টাঙ্গাইল সদর, নাগরপুর ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী রক্ষায় ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ কাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের প্রায় ৯৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ১১ দফায় এ প্রকল্পের বিভিন্ন পয়েন্টে ধস দেখা দেয়।

সোমবার দুপুর থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকায় ১২ বারের মতো ধস শুরু হয়। ধীরে ধীরে বাঁধের ২৫ মিটার এলাকা ধসে যায়। এর আগে গত ২ ও ১৬ মে, ৮ ও ২৩ জুন ৩, ৭, ১৯, ২০, ২১, ২৩ ও সর্বশেষ ২৬ জুলাই এ প্রকল্পটির বিভিন্ন অংশ ধসে যায়।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ জানান, ধসের খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে বালিভর্তি জিওব্যাগ ডাম্পিং শুরু করেনে। ইতোমধ্যে ধস বন্ধ হয়ে গেছে। এ নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই।


Post A Comment: