পটুয়াখালীর বাউফল পৌরসভা কিচেন মার্কেটের একাংশ ধসে পড়েছে। তিন বছর আগে প্রায় দেড়কাটি টাকা ব্যয়ে এই মার্কেটটি নির্মাণ করা হয়েছিল। মার্কেট নির্মাণের সময় নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। মার্কেট ধসের কারণে ব্যবসায়ীদের মধ্যে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পটুয়াখালীতে দেড় কোটি টাকায় নির্মিত পৌর মার্কেটের একাংশে ধস

    পটুয়াখালীর বাউফল পৌরসভা কিচেন মার্কেটের একাংশ ধসে পড়েছে। তিন বছর আগে প্রায় দেড়কাটি টাকা ব্যয়ে এই মার্কেটটি নির্মাণ করা হয়েছিল। মার্কেট নির্মাণের সময় নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। মার্কেট ধসের কারণে ব্যবসায়ীদের মধ্যে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএমডিএফ’র অর্থায়নে বাউফল পৌর শহরের প্রাণ কেন্দ্রে ২০১১ সালের ১৩ ডিসেম্বর তিনতলা বিশিষ্ট কিচেন মার্কেটটির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয় এবং ২০১৪ সালের মাঝামাঝি এক তলার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়। হোসেন অ্যান্ড ব্রাদার্স নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মার্কেটটির নির্মাণ কাজ করেন। নির্মাণের সময়ই সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করার অভিযোগ ওঠে এবং নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে মার্কেটটি নির্মাণ করায় এর স্থায়ীত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল সে সময়। কিন্তু ঠিকাদার প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ মুখ খোলেননি।

সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা গেছে, কিচেন মার্কেটের পূর্ব পাশের আরসিসি গাইড ওয়াল হেলে পরেছে এবং মূল ভবনের বীমের সাথে আরসিসি টানা ছিড়ে গেছে। পাশের মাটিও দেবে গেছে। এ ছাড়া দোতালায় ওঠার সিঁড়ি ও নিচের দেয়ালও ভেঙ্গে গেছে। ফ্লোরে বিশাল ফাটল দেখা দিয়েছে। মার্কেটের এই ধসের কারণে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যাবসায়ী জানান, মার্কেটের পাশেই খাল রয়েছে। খালের পাড়ে এধরণের একটি বিল্ডিং নির্মাণে যথাযথ নিয়ম মানা হয়নি। ব্যবসায়ী আরো জানান, কিচেন মার্কেটের একাংশ ধসে পড়ার পর তারা এখন ভীতির মধ্যে থেকে ব্যবসা করছেন। যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কার মধ্যে রয়েছেন।

মার্কেট ধসের দুর্ঘটনা সম্পর্কে জানতে বাউফল পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কিচেন মার্কেট রক্ষার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। মার্কেট নির্মাণে কোন ত্রুটি ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে। এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি

Post A Comment: