মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট’ থেকে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে ২০১৬ তে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়েছে। যদিও সরকার সন্ত্রাসের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে দাবি করেছে কিন্তু ২০১৬ তে তুলনামূলক বেশি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট’ থেকে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে ২০১৬ তে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়েছে। যদিও সরকার সন্ত্রাসের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে দাবি করেছে কিন্তু ২০১৬ তে তুলনামূলক বেশি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।


আল কায়েদা, ভারতীয় উপমহাদেশীয় একিউআইএস ও আইসিস কয়েকটি হামলার দায় স্বীকার করে তাদের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে।

এছাড়া সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে উগ্রবাদী আদর্শের প্রচার ও প্রসার ঘটছে এবং সেখানে ব্যাপক অনুসারীও পাওয়া যাচ্ছে।

গত বছর ১ জুলাইয়ে গুলশানের অভিজাত এলাকায় অবস্থিত হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলায় ১৭ বিদেশি ও দুই পুলিশ সদস্যসহ ২২ জনকে হত্যার আলোচিত ঘটনায়ও আইএসের নামে দায় স্বীকারের খবর আসে।

তবে এগুলোর পেছনে বাংলাদেশ সরকার দেশীয় জঙ্গি ও বিরোধী কয়েকটি রাজনৈতিক দলকে দায়ী করছে বলে স্টেট ডিপার্টমেন্টের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়।

বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড যেখানে বেড়েছে সেখানে ২০১৬ সালে বিশ্ব জুড়ে সন্ত্রাসবাদী হামলা তুলনামূলকভাবে কমে এসেছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, আফগানিস্তান, সিরিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান এবং ইয়েমেনে তুলনামূলক কম হামলা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

একই সময়ে ইরাক, সোমালিয়া ও তুরস্কসহ বেশ কয়েকটি দেশে সন্ত্রাসী হামলা ও নিহতের ঘটনা তুলনামূলক কম বলে এতে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬-তে হলি আর্টিজান বেকারির ভয়াবহতম সেই হামলাসহ আইএস বাংলাদেশে মোট ১৮টি হামলার দায় স্বীকার করেছে।

২০১৬ এর ৬ এপ্রিল পুরান ঢাকায় সিলেট গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাজিমু্দ্দিন সামাদ এবং ২৫ এপ্রিল রাজধানীর কলাবাগানে ইউএসএআইডি এর কর্মসূচি কর্মকর্তা সমকামী অধিকারকর্মী জুলহাজ মান্নান এবং তার বন্ধু নাট্যকর্মী মাহবুব রাব্বী তনয়কে কুপিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে একিউআইএস।

এছাড়া একই বছর শোলাকিয়ায় ঈদ জামাতের বাইরে হামলার ঘটনাও ঘটে।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সালে বিশ্বজুড়ে বেশিরভাগ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় অন্য যে কোনো জঙ্গি গোষ্ঠীর চেয়ে এগিয়ে রয়েছে আইএস।

Post A Comment: