উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটের প্লাবিত এলাকার পানি কমছে ধীরগতিতে। এ ছাড়া নদ-নদীর পানিও প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় ২/১ সেন্টিমিটার করে কমছে। এদিকে জকিগঞ্জের আমলসীদে কুশিয়ারা পানি বুধবার সকালে বিপদসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার, শেওলা পয়েন্টে ৫১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া সুরমা নদীর পানি কানাইঘাটে বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সিলেটে ধীরগতিতে কমছে বন্যার পানি

    উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটের প্লাবিত এলাকার পানি কমছে ধীরগতিতে। এ ছাড়া নদ-নদীর পানিও প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় ২/১ সেন্টিমিটার করে কমছে। এদিকে জকিগঞ্জের আমলসীদে কুশিয়ারা পানি বুধবার সকালে বিপদসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার, শেওলা পয়েন্টে ৫১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া সুরমা নদীর পানি কানাইঘাটে বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


সিলেটের জেলা প্রশসানের হিসাব অনুযায়ী, এ বছর বন্যায় ৪ হাজার ৪৯১টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি কমতে শুরু করায় বিভিন্ন রোগব্যাধি বন্যা কবলিত এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শহীদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সিলেটের ৮ উপজেলার ৪৬৬ গ্রাম বন্যা কবলিত হয়েছে। এসব এলাকার প্রায় ১৮ হাজার ঘরবাড়ি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি আরো জানান, পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রয়েছে।


এদিকে বন্যার কারণে বিভিন্ন রোগের প্রকোপ দেখা দিতে পারে এমন আশঙ্কায় স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ৭৮টি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

সিলেট সিভিল সার্জন সূত্রে জানা যায়, বন্যায় আক্রান্তদের নিরাপত্তার জন্য সরকারিভাবে বালাগঞ্জ ৩টি, ফেঞ্চুগঞ্জ ৩টি ও বিয়ানীবাজারে ৫টি মোট ১১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রাখা হয়েছে।

প্রতিটি উপজেলার মধ্যে সিলেট সদরে কর্মরত মেডিকেল টিমের সংখ্যা ১১টি, দক্ষিণ সুরমায় ১১টি, বিশ্বনাথে ১০টি, বালাগঞ্জে ৭টি, ওসমানীনগরে ৮টি, ফেঞ্চুগঞ্জে ১০টি, গোলাপগঞ্জে ১৬টি, বিয়ানীবাজারে ১৬টি, জকিগঞ্জে ১০টি, কানাইঘাটে ১২টি, গোয়াইনঘাটে ১১টি, জৈন্তাপুরে ১১টি, কোম্পানীগঞ্জে ১০টি ও জেলা সদরে ৫টি।

Post A Comment: