রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের মতবিনিময় সভায় কাউন্সিলর ও কর্মচারীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই নারী কাউন্সিলরসহ ৬জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে নগর ভবনে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে নগর ভবনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ১১ দফা দাবি নিয়ে স্থগিতকৃত আন্দোলন সম্পর্কে মন্তব্য করা নিয়ে মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল এবং কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
Rasik-fights-in-mayor-meeting-women-councilor-6

    রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের মতবিনিময় সভায় কাউন্সিলর ও কর্মচারীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই নারী কাউন্সিলরসহ ৬জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে নগর ভবনে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে নগর ভবনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ১১ দফা দাবি নিয়ে স্থগিতকৃত আন্দোলন সম্পর্কে মন্তব্য করা নিয়ে মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল এবং কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


আহতদের মধ্যে তিনজন মেয়রের পক্ষের এবং অন্য তিনজন কর্মচারী ইউনিয়নের। মেয়র পক্ষের আহতরা হলেন- মেয়রের ব্যক্তিগত সহকারী মো. টুটুল, রাসিকের ২৫, ২৮ ও ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর নুরুন্নাহার বেগম এবং ৭, ৮ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর মুসলিমা বেগম বেলী।

কর্মচারী ইউনিয়নের আহতরা হলেন- সংগঠনটির উপদেষ্টা সুমন হোসেন ও জালাল উদ্দিন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম লাবু। এদের সবাইকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে মেয়র পক্ষের আহত তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কর্মচারী ইউনিয়নের চলমান আন্দোলনের বিষয়ে বিকেলে মেয়র বুলবুল নগর ভবনের নিচতলায় কাউন্সিলর ও স্থায়ী কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করছিলেন। ওই মতবিনিময় সভাতেই মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনেন।

মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, অস্থায়ী কর্মচারীদের চলমান আন্দোলনের বিষয়ে করণীয় ঠিক করতে স্থায়ী কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করছিলেন। এতে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা হামলা চালান। এ হামলা উদ্দেশ্যে প্রণোদিত বলেও দাবি করেন তিনি।

রাসিকের কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আজমীর আহমেদ মামুন বলেছেন, ওই সভায় ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবদুল হামিদ সরকার টেকন আন্দোলনকারী শ্রমিকদের ‘জঙ্গির’ সঙ্গে তুলনা করেছেন। তার এ কথারই প্রতিবাদ করেছিলেন ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম লাবু। একপর্যায়ে কাউন্সিলর টেকনসহ মেয়রের অনুসারী অন্য কাউন্সিলর ও কর্মচারীরা অস্থায়ী কর্মচারীদের মারপিট শুরু করেন। এতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

বোয়ালিয়া থানার ওসি আমান উল্লাহ বলেন, নগরভবনের মারামারির খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তবে উত্তেজনা থাকায় এখনও সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা আছে।

Post A Comment: