বান্দরবান রুমা সড়কের ওয়াই জংশন এলাকায় পাহাড়ধসে নিখোঁজদের উদ্ধারে সোমবার সকাল থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগ, দমকল বাহিনী, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, যানবাহন শ্রমিকসহ স্থানীয় লোকজন উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছে। তবে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে উদ্ধার অভিযান চালাতে গিয়ে হিশহিম খাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।
বান্দরবানে পাহাড়ধসে নিখোঁজদের সন্ধানে বৃষ্টির বাগড়া

    বান্দরবান রুমা সড়কের ওয়াই জংশন এলাকায় পাহাড়ধসে নিখোঁজদের উদ্ধারে সোমবার সকাল থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগ, দমকল বাহিনী, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, যানবাহন শ্রমিকসহ স্থানীয় লোকজন উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছে। তবে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে উদ্ধার অভিযান চালাতে গিয়ে হিশহিম খাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।


রোববার ভারি বর্ষণের সময় পাহাড় ধসে ওয়াই জংশন এলাকায় বেশ কয়েকজন নিখোঁজ হয়। এর মধ্যে ওইদিন বিকেলে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

যারা এখনো নিখোঁজ তাদের মধ্যে রুমা উপজেলার স্বাস্থ্যকর্মী মুন্নি বড়ুয়া, উপজেলা পোস্ট মাস্টার জবিউল আলম, কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা গৌতম নন্দি ও রুমার মংশৈ প্রু কারবারীর মেয়ে সিমোচিং মারমার নাম জানা গেছে।

সেনাবাহিনীর ১৯ প্রকৌশল ব্রিগেডের উপ-অধিনায়ক মেজর ইফতেখার জানান, উদ্ধার অভিযান শুরু করা হলেও ভারি বৃষ্টিপাত হওয়ায় ঝুঁকির মধ্যে তা বিঘ্নিত হচ্ছে। সকাল থেকে ২০ জনেরও বেশি উদ্ধারকারী অভিযানে অংশ নিয়েছে। খাড়া পাহাড়ি ঢাল থাকায় অভিযান চালাতে বেগ পেতে হচ্ছে।

বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষিপদ দাশ জানান, সকাল ৮টা থেকেই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনী ও দমকল বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়রাও অংশ নিয়েছেন। প্রশাসন সার্বিক অবস্থা তদারকি করছে।

এদিকে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের সাংঙ্গু মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সড়কের উপর পানি উঠায় বান্দরবানের সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে সকাল থেকেই।

এছাড়া বান্দরবানের সঙ্গে রুমা ও রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগও বন্ধ রয়েছে। ভারি বর্ষণের কারণে বান্দরবানের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে শহরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।

Post A Comment: