বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাক্ষী এবং মুক্তিযুদ্ধে ৯ নম্বর সেক্টরের সুন্দরবন সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিন আহমেদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিন আহমেদের বড় ছেলে জাকির উদ্দিন আহমেদকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
Major-Zia-is-no-longer

    বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাক্ষী এবং মুক্তিযুদ্ধে ৯ নম্বর সেক্টরের সুন্দরবন সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিন আহমেদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিন আহমেদের বড় ছেলে জাকির উদ্দিন আহমেদকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


দীর্ঘ দিন ধরে লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। গত ১ জুলাই গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মেজর জিয়াকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
 

এরপর শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হলে গত ১২ জুলাই দিবাগত রাতে মেজর জিয়াকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

মেজর জিয়াউদ্দিন আহমেদে জন্ম পিরোজপুর জেলার পারেরহাট গ্রামে। বাবা আফতাব উদ্দিন আহমেদ। মেজর জিয়া শুধু সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত সেনা অফিসারই ছিলেন না, তিনি বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীরমুক্তি যোদ্ধা ও পুরদস্তুর একজন লেখক ও সাংবাদিক ছিলেন।

জিয়াউদ্দিন আহমেদ ১৯৬৯ সালে সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন এবং সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট পদে যোগদান করেন।

চাকরিতে থাকা অবস্থায় ১৯৭৪ সালে সাপ্তাহিক হলিডে পত্রিকায় নিবন্ধ লেখার জন্য শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। তখন তার পদবি ছিল লে. কর্নেল।

Post A Comment: