পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে গত কয়েকদিন ধরে অবিরাম ভারি বর্ষণে উপজেলার ১১ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল ৩/৪ ফুট পানিতে ডুবে গেছে। এতে শহরের দক্ষিণ বন্দর, থানাপাড়া, কাচিছিড়া এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ি পানিতে ডুবে থাকায় পৌরভাসি চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।
জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, জনদুর্ভোগ চরমে 

 পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে গত কয়েকদিন ধরে অবিরাম ভারি বর্ষণে উপজেলার ১১ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল ৩/৪ ফুট পানিতে ডুবে গেছে। এতে শহরের দক্ষিণ বন্দর, থানাপাড়া, কাচিছিড়া এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ি পানিতে ডুবে থাকায় পৌরভাসি চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।


এদিকে বৃষ্টির সাথে জোয়ারের পানি বাসা বাড়িতে ঢুকে পরায় রান্না-বান্না করতে চরম বিপাকে পড়েছে গৃহিণীরা।

 


অপর দিকে উপজেলার ১১ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল অতিরিক্ত পানিতে ডুবে থাকায় মাছের ঘের, পানের বরজ, সব্জির ক্ষেত ও রাস্তা ঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পানি আরও বাড়লে অধিকাংশ ঘেরই ভেসে যাবে।

ঘের মালিকরা গত বছরের ক্ষয়ক্ষতি এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি। এ বছর আবার তারা ক্ষতিগ্রস্ত হলে অনেক ঘের মালিককে পথে বসতে হবে বলেও জানান তারা।

বুধবার হাটে আসা দক্ষিণ বন্দরের গরুর ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী জানান, হাঁটু সমান পানিতে দাঁড়িয়ে ক্রেতাদের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। গরুর হাঁট তলিয়ে যাওয়ায় ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়েছে।

সাপলেজা গ্রামের মৎস্য ঘেরের মালিক মোবারক হাং জানান, প্রায় ৭ একর জমিতে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ৫টি মাছের ঘেরে ১০ লাখ টাকার মাছ চাষ করি। গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও লঘু চাপের কারণে ঘের তলিয়ে যাওয়ায় আমার সব হারাতে বসেছি।
আমাদের এ বিপদে উপজেলা মৎস্য অফিস কোনো ধরনের সাহায্য সহযোগীতা করেনি বলেও জানান তিনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, এভাবে আরও ৩/৪ দিন জলাবদ্ধতা অব্যাহত থাকলে ডুবে থাকা বীজতলা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Post A Comment: