ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মুক্তা খাতুন নামের এক স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীকে বাল্য বিবাহের হাত থেকে রক্ষা করলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ছাদেকুর রহমান। এ সময় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে জালাল উদ্দিন নামের এক জনকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও মেয়ের বাবাকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মুক্তা খাতুন নামের এক স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীকে বাল্য বিবাহের হাত থেকে রক্ষা করলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ছাদেকুর রহমান। এ সময় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে জালাল উদ্দিন নামের এক জনকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও মেয়ের বাবাকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।


সোমবার দুপুরে তিনি বিয়েটি বন্ধ করেন এবং কারাদণ্ড প্রদান করেন। মুক্ত ফয়লা গ্রামের বিল্লাল হোসেনের মেয়ে ও সলিমুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী।

ইউএনও ছাদেকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিনি জানতে পারেন পৌরসভার ফয়লা হাসপাতাল সড়কের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন তার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে মুক্তা খাতুনকে বিয়ে দিচ্ছেন। এ খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়ের বাবা-মাকে বুঝিয়ে মেয়েটিকে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা করেন।

তিনি আরো জানান, ওই সময় সরকারি কাজে বাধা ও অসহযোগিতার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জালাল উদ্দিন নামের একজনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয় এবং মেয়ের বাবা বিল্লাল হোসেনকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

Post A Comment: