লালমনিরহাটে শুক্রবার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরো উন্নতি হয়েছে। তিস্তা নদীর পানি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বন্যাদুর্গত এলাকা পানি দ্রুত নেমে যাচ্ছে। তবে পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে তিস্তা-ধরলা পাড়ের তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিনে নদীগর্ভে গেছে প্রায় শতাধিক পরিবারের ঘর-বাড়ি কয়েক শত শত বিঘা ফসলি জমি।
লালমনিরহাটে তিস্তা-ধরলা পাড়ে তীব্র ভাঙন

    লালমনিরহাটে শুক্রবার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরো উন্নতি হয়েছে। তিস্তা নদীর পানি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বন্যাদুর্গত এলাকা পানি দ্রুত নেমে যাচ্ছে। তবে পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে তিস্তা-ধরলা পাড়ের তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিনে নদীগর্ভে গেছে প্রায় শতাধিক পরিবারের ঘর-বাড়ি কয়েক শত শত বিঘা ফসলি জমি।


আদিতমারী উপজেলার তিস্তা নদী সংলগ্ন গোবদ্ধন এলাকায় বৃহস্পতিবার হঠাৎ ভাঙন শুরু হলে অল্প সময়ের মধ্যে ২২টি পরিবারের বাড়ি-ঘর তিস্তার গর্ভে বিলিন হয়ে যায়।

এদিকে সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের চারটি গ্রাম চওড়াটারী, মোগলহাট, মাছুয়াটারী ও কর্ণপুরে ধরলা নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। গত দুই সপ্তাহে বসতভিটা হারিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়েছে অর্ধশতাধিক পরিবার। নদীগর্ভে চলে গেছে শত শত বিঘা আবাদি জমি, কয়েকটি ফলের বাগান ও বাঁশ ঝাড়। এ ছাড়াও পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে জেলার পাঁচ উপজেলার তিস্তা পাড়ের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কৃষ্ণ কুমার সরকার জানান, তিস্তা-ধরলা নদীর ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Post A Comment: