গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৪ সেন্টিমিটার কমেছে। কিন্তু সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভেঙে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে যমুনার পানি। এতে প্রায় ৩৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে বাহুকা পূর্বপাড়ায় ও বাহুকা বাজারে পানি ঢুকে স্কুল-কলেজসহ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েকশ’ পরিবার। মানুষ আসবাপত্র নিয়ে বাড়িঘর ছেড়ে ওয়াপদা বাঁধ ও স্কুলে আশ্রয় নিয়েছে।
In-Sirajganj-the-flood-control-dam-broke-and-35-villages-flooded

    গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৪ সেন্টিমিটার কমেছে। কিন্তু সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভেঙে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে যমুনার পানি। এতে প্রায় ৩৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে বাহুকা পূর্বপাড়ায় ও বাহুকা বাজারে পানি ঢুকে স্কুল-কলেজসহ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েকশ’ পরিবার। মানুষ আসবাপত্র নিয়ে বাড়িঘর ছেড়ে ওয়াপদা বাঁধ ও স্কুলে আশ্রয় নিয়েছে।

খবর পেয়ে রাতেই জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে পানিবন্দি মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের আদেশ দেন।

 


 স্থানীয়রা জানান, যমুনার পানি বৃদ্ধি ও স্রোতের কারণে সিরাজগঞ্জ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পুরাতন অংশ ভেঙে যায়। পানি উন্নয়ন বোর্ড এক কিলোমিটার পেছনে নতুন বাঁধ নির্মাণ শুরু করে। কিন্তু কাজ ধীরগতি হওয়ায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাঁধের বাহুকা পয়েন্টে ভেঙে যায়। মুহূর্তে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করে।


মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে পুরো একটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়ে। মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে আসবাবপত্র নিয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে উচু স্থানে আশ্রয় নেয়। পানি প্রবেশ করে বাঁধের পশ্চিম পাড়ের প্রায় ৩৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম বলেন, ‘স্রোতের কারণে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে গেছে। আমরা জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙনের স্থান বন্ধ করার চেষ্টা করছি।’

জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকা জানান, দ্রুত ভাঙা স্থান ভরাট করার জন্য জিও ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে স্কুলে আশ্রয় নেয়া মানুষের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে।


Post A Comment: