আসছে কোরবানি ঈদ উপলক্ষে নীলফামারী জেলায় ৬১ হাজার ৬৬৭টি গবাদি পশু হৃষ্টপুষ্ট হচ্ছে। আর হৃষ্টপুষ্ট করছেন ২৩ হাজার ৬৫৪ জন খামারি। জেলার ২৬টি হাটে এইসব গরু-ছাগল-ভেড়া বিক্রি করবেন খামারিরা।
নীলফামারীতে ঈদ উপলক্ষে হৃষ্টপুষ্ট হচ্ছে ৬২ হাজার পশু

    আসছে কোরবানি ঈদ উপলক্ষে নীলফামারী জেলায় ৬১ হাজার ৬৬৭টি গবাদি পশু হৃষ্টপুষ্ট হচ্ছে। আর হৃষ্টপুষ্ট করছেন ২৩ হাজার ৬৫৪ জন খামারি। জেলার ২৬টি হাটে এইসব গরু-ছাগল-ভেড়া বিক্রি করবেন খামারিরা।


জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্র জানায়, হৃষ্টপুষ্ট হওয়া গবাদি পশুর তালিকায় রয়েছে ষাঁড় ৩৫ হাজার ২৬৫টি, বলদ ৫ হাজার ৮১টি, গাভী ৭ হাজার ৪৪০টি, ছাগল ১১ হাজার ২০৪টি এবং ভেড়া ২ হাজার ৬৭৭টি। আর খামারির সংখ্যায় রয়েছেন গরুতে ১৭ হাজার ৫৮৬ জন, ছাগলে ৫ হাজার ৪২৬ জন এবং ভেড়ায় ৬৪২ জন।

ইতোমধ্যে হৃষ্টপুষ্ট হওয়া পশুগুলো বাড়ি বাড়ি গিয়ে পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা। ওষুধের অপব্যবহার, রোগাক্রান্ত কিংবা কোরবানির অনুপযোগী গবাদি পশু বিক্রি না করার পরামর্শ দিয়ে আসছেন কর্মকর্তারা।

এছাড়াও হৃষ্টপুষ্ট করণে ওষুধের অপব্যবহার যাতে না হয় সেজন্য দোকানগুলো পর্যবেক্ষণে রেখেছে বিভাগটি। এদিকে গতবারের চেয়ে এবার কোরবানি দাতার সংখ্যা আরো বাড়বে বলে ধারণা করছেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা।
 


২০১৬ সালে গরু-ছাগল-ভেড়া মিলে ৩৮ হাজার ৩৭৪টি পশু কোরবানি হলেও ২০১৫ সালে ২৯ হাজার ৩৪৬টি এবং ২০১৪ সালে ২৭ হাজার ৫৯টি পশু কোরবানি করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শাহ জালাল খন্দকার জানান, ছয় উপজেলায় ছয়টি মনিটরিং টিম করা হয়েছে। যাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাগণ। কোরবানির অযোগ্য, অস্বাস্থ্যকর পশু যাতে বিক্রি না হয় সেজন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে হাট কর্তৃপক্ষ এবং খামারিদের।

এদিকে নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের বাদিয়ার মোড় নামক স্থানে নীলসাগর ফার্মে গিয়ে দেখা যায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত হয়েছে গরু। খামারিরা গবাদি পশুর খাবারে পছন্দের তালিকায় রেখেছেন নীলসাগর ফিডকে।

ডিলার মোশাররফ হোসেন জানান, নীলসাগর ফিড অন্যান্য ফিডের চেয়ে সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হয় এবং চাহিদাও রয়েছে মানুষের মাঝে। এবারের ঈদে নীলসাগর ফিডের চাহিদা ছিলো অন্যান্য বছরের চেয়ে বেশি।

নীলফামারী সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের গরু ব্যবসায়ী রোস্তম আলী জানান, গত ঈদে মাথায় হাত পড়েছিলো ব্যবসায়ীদের। দাম না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন তারা। এবার তেমন হবে না বলে আশা করছি।

তবে তিনি বলেন, ভারতীয় গরু যাতে না আসে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

Post A Comment: