মাগুরায় অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী ও ৫ বছরের শিশুকন্যাকে হত্যার দায়ে আমিরুল ইসলাম(৪০) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মাগুরা জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় এই রায় ঘোষণা করেন।

    মাগুরায় অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী ও ৫ বছরের শিশুকন্যাকে হত্যার দায়ে আমিরুল ইসলাম(৪০) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মাগুরা জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় এই রায় ঘোষণা করেন।


আমিরুল ইসলাম মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বেথুলিয়া গ্রামের সোবহান মোল্যার ছেলে।

সরকারপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন জানান, ২০১১ সালের ৫ জুন রাতে আমিরুল ইসলাম বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে স্ত্রী কবিতা খাতুন এবং মেয়ে জামিলাকে বাইরে নিয়ে যায়। এরপর মাথায় আঘাত করে হত্যার পর লাশ মাগুরা-নড়াইল সড়কের বড় মান্দারতলা এলাকায় ফেলে রেখে যায়। দুইদিন পর ৯ জুন সকালে মাগুরা থানা পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নিহত কবিতা খাতুনের বাবা রফিক মোল্যা বাদী হয়ে মাগুরা জেলা জজ আদালতে আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

আইনজীবী কামাল হোসেন বলেন, আমিরুল ইসলাম মাগুরার শালিখা উপজেলার নাঘোষা গ্রামের রফিক মোল্যার মেয়ে কবিতাকে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক ছিল না। প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝাগড়া হতো। যে কারণে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। কিন্তু বিচ্ছেদের কিছুদিন পরই আমিরুল ইসলাম গোপনে আবার কবিতাকে বিয়ে করে অন্যত্র গিয়ে বসবাস করতেন। সেখানে তাদের মধ্যে আবার বিরোধ সৃষ্টি হয়। যে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালের ৫ জুন স্ত্রী ও ৫ বছরের শিশুকন্যাকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে মাগুরায় নিয়ে এসে হত্যা করেন।

তিনি বলেন, পুলিশ তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে। পরবর্তীতে আসামির স্বীকারোক্তি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত তাদে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

এদিকে, মামলার এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আপিল করার কথা জানিয়েছেন মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ।

Post A Comment: