দীর্ঘ দিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল আহাদ-লাকি দম্পত্তির মধ্যে। দুই পরিবারের লোকজন মীমাংসা করার চেষ্টা করেছে কয়েক বার। কিন্তু থামেনি আহাদ-লাকি দম্পত্তির সেই কলহ। এক পর্যায়ে দুই পরিবারের লোকজনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আহাদ-লাকি দম্পত্তির মধ্যে ডিভোর্স হয়। অবশ্য স্বামী আহাদ ডিভোর্স না দিতে স্ত্রী লাকিকে অনুরোধও করেন।

    দীর্ঘ দিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল আহাদ-লাকি দম্পত্তির মধ্যে। দুই পরিবারের লোকজন মীমাংসা করার চেষ্টা করেছে কয়েক বার। কিন্তু থামেনি আহাদ-লাকি দম্পত্তির সেই কলহ। এক পর্যায়ে দুই পরিবারের লোকজনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আহাদ-লাকি দম্পত্তির মধ্যে ডিভোর্স হয়। অবশ্য স্বামী আহাদ ডিভোর্স না দিতে স্ত্রী লাকিকে অনুরোধও করেন।


এত কিছুর পরও মন গলেনি স্ত্রী লাকি আক্তারের। স্ত্রীর মন না গললেও লাকিকে নিয়ে আবার সংসার করতে আগ্রহ দেখান আহাদ। এরই সূত্র ধরে ওই দম্পত্তিসহ উভয় পরিবারের লোকজন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের বাসায় জড়ো হন উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতি সমাধানের জন্য।

কিন্তু লাকি সংসার না করার পক্ষেই অনড় থাকেন। আর্ এতে উত্তেজিত ও ক্ষিপ্ত হয়ে আহাদ সালিশ চলাকালীন এক ফাঁকে চেয়ারম্যানের বাড়ির রান্না ঘবে প্রবেশ করেন। এবং রান্না ঘরে থাকা বটি দিয়ে নিজের হাতের একটি আঙুল কেটে নিয়ে এসে স্ত্রীর জামার উড়নায় বেঁধে দিয়ে ভালবাসার প্রমাণ স্বরুপ উপহার দিয়ে চলে যান।

শুনতে গল্প মনে হলেও এমন ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সকালে সাভারের আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কলতাসূতি গ্রামে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম সুরুজ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৭-৮ দিন আগে ওই দম্পত্তির মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায়। পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুক্রবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতির সমাধানের জন্য আশুলিয়ার পূরব কলতাসূতি গ্রামে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম সুরুজের বাসায় উপস্থিত হন। উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে স্বামী আহাদ লাকিকে নিয়ে আবার সংসার করতে আগ্রহ দেখায়।

এ সময় আহাদের পরিবারের লোকজনের অনুরোধে লাকিকে আবার নতুন করে সংসার শুরু করার জন্য বুঝানো হয়। কিন্তু লাকিসহ তার পরিবার তাদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে।

পরবর্তীতে উভয় পরিবারের লোকজন দেনা-পাওনা নিয়ে কথা বললে স্বামী আহাদ নিজের একটি আঙুল কেটে স্ত্রীর জামার ওড়নায় বেঁধে ভালবাসার প্রমাণ স্বরুপ উপহার দেন। পরবর্তীতে আহাদকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় একটি ক্লিনিকে পাঠানো হয়।

জানা যায়, ১০ বছর আগে আশুলিয়ার কলতাসূতি এলাকার আয়নাল হকের মেয়ে লাকির সঙ্গে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাধীন লতিফপুর গ্রামের আহাদ মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিষয় নিয়ে আহাদ-লাকি দম্পত্তির মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকতো্। এ দম্পত্তির ৪ বছর বয়সী এক ছেলে ও ২ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

Post A Comment: