মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মার ডুরোচরে আটকে পড়া দুটি ফেরির যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়েছে। দু’টি ফেরিতে এখনও ৩০-৪০ জন যাত্রী রয়েছেন। এ ছাড়া ফেরিতে থাকা বাকি যাত্রীরা স্পিডবোট এবং লঞ্চে করে গৌন্তব্যে চলে গেছেন। সোমবার ভোর ৪টায় বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন এবং রোববার রাত দেড়টায় কে টাইপ ক্যামেলিয়া ফেরি দু’টি শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে পদ্মার ডুবোচরে আটকা পড়ে।

    মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মার ডুরোচরে আটকে পড়া দুটি ফেরির যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়েছে। দু’টি ফেরিতে এখনও ৩০-৪০ জন যাত্রী রয়েছেন। এ ছাড়া ফেরিতে থাকা বাকি যাত্রীরা স্পিডবোট এবং লঞ্চে করে গৌন্তব্যে চলে গেছেন। সোমবার ভোর ৪টায় বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন এবং রোববার রাত দেড়টায় কে টাইপ ক্যামেলিয়া ফেরি দু’টি শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে পদ্মার ডুবোচরে আটকা পড়ে।


শিমুলিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন পাটোয়ারী পরিবর্তন ডটকমকে জানান, নাব্যতা সংকটে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটের লৌহজং পয়েন্টে ভোর ৪টার দিকে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন এবং রাত দেড়টার দিকে কে টাইপ ক্যামেলিয়া ফেরি দু’টি আটকা পড়ে। ফেরি দু’টি উদ্ধারে কাজ করছে বিআইডব্লিউটিসি। এখনও ৩০-৪০ জন যাত্রী আটকা রয়েছেন। বাকিরা স্পিডবোট এবং লঞ্চে করে গৌন্তব্যে চলে যান। ফেরিতে মাইক্রোবাসের সংখ্যাই বেশি রয়েছে।

এদিকে ঘাটে ৩ শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে বলেও জানান তিনি।

Post A Comment: