বিয়ের সব আয়োজন চলছে পুরাদমে। চারিদিকে উৎসবমুখর পরিবেশ। রোববার বরের গায়ে হলুদ। কাল বিয়ে। কিন্তু উৎসবমুখর পরিবেশে ঝড়ের মতো উড়ে এসে সবকিছু লণ্ডভণ্ড করে দিলেন এক কলেজছাত্রী। নিজেকে বরের স্ত্রী দাবি করে শনিবার রাত থেকে অনশন শুরু করে দেন। এতে আপাতত সোমবার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারছেন না বর।

    বিয়ের সব আয়োজন চলছে পুরাদমে। চারিদিকে উৎসবমুখর পরিবেশ। রোববার বরের গায়ে হলুদ। কাল বিয়ে। কিন্তু উৎসবমুখর পরিবেশে ঝড়ের মতো উড়ে এসে সবকিছু লণ্ডভণ্ড করে দিলেন এক কলেজছাত্রী। নিজেকে বরের স্ত্রী দাবি করে শনিবার রাত থেকে অনশন শুরু করে দেন। এতে আপাতত সোমবার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারছেন না বর।


বর জয়নাল আবেদীন জুয়েল উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের চারাগাঁও মাইজহাঁটি গ্রামের বশির ডাক্তারের ছেলে। আর স্ত্রী দাবিদার ওই তরুণী সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতকের শিক্ষার্থী।

স্ত্রী দাবিদার জানান, সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে পড়ার সময় ২০১৪ সালে জুয়েলের সাথে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ২ লাখ টাকা দেন মোহরানায় গোপনে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের পর গোপনে তারা জেলা শহরে ভাড়াটিয়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করতেন।

কিন্তু সম্প্রতি জুয়েল আবার আরেকটি বিয়ে যাচ্ছে শুনে শনিবার রাত থেকে জুয়েলের বাড়িতে স্ত্রীর দাবিতে অনশন শুরু করেন।

জানা যায়, সোমবার পাশের বিশম্ভরপুর উপজেলার শাহপুর গ্রামের জনৈক মেয়ের সাথে জুয়েলের বিয়ে ঠিক ছিল। কিন্তু আপাতত এই বিয়ে হচ্ছে না। কারণ বিষয়টি থানা-পুলিশ পর্যন্ত গড়িয়েছে। পুলিশ বিয়ে বন্ধ রাখতে বলেছে জুয়েলের পরিববারকে।

এ ব্যাপারে জয়নাল আবেদীন জুয়েল বলেন, শনিবার রাতে এক মেয়ে আমাদের বাড়িতে এসে আমার স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবি করছে। তার সাথে আমার প্রেম ছিল না, এমনকি গোপনে বিয়েও হয়নি।

উপজেলার শ্রীপুর উওর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. খসরুল আলম বলেন, জয়নাল ও ওই তরুণীর বিয়ের বিষয়টি বেশ কিছুদিন ধরেই এলাকায় লোকমুখে শোনা যাচ্ছে। জুয়েলের পরিবারের বিষয়টি জেনেও না জানার ভান করেছেন।’

মেয়ের বাবা বলেন, পারিবারিকভাবে ঘটনার মীমাংসা না হলে মামলা করব।

তাহিরপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. আসাদুজ্জামান হাওলাদার বলেন, ‘শনিবার রাতে জুয়েল নামের যুবকের বাড়িতে কাকলী নামে এক তরুণী উঠেছে বলে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এরপর আজ দু’পক্ষকে থানায় ডেকে এনে কথা বলা হয়েছে। ওই তরুণীকে তার পরিবারের কাছে দেওয়া হয়েছে। আর জুয়েলের পরিবারকে আপাতত বিয়ে বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

Post A Comment: