ভুল তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করলে কবি, প্রাবন্ধিক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ফরহাদ মজহারের বিরুদ্ধে প্যানাল কোডের ২১১ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম-কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন। মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

    ভুল তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করলে কবি, প্রাবন্ধিক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ফরহাদ মজহারের বিরুদ্ধে প্যানাল কোডের ২১১ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম-কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন। মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।


এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে ফরহাদ মজহারকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ।

তাকে ডিবিতে নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে আব্দুল বাতেন বলেন, ‘অপহরণের বিষয়ে আদালতে ফরহাদ মজহারের ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি ও পুলিশি তথ্য প্রমাণের সঙ্গে অনেক গরমিল পাওয়া গেছে। তাই তাকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে।’

ফরহাদ মজহারের দেওয়া তথ্য সঠিক না হলে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবির যুগ্ম কমিশনার বলেন, ‘যদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশকে কেউ বিভ্রান্ত করে তাহলে পেনাল কোডের ২১১ ধারায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। ফরহাদ মজহারের দেওয়া তথ্য যদি ভুল হয় তাহলে তার বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।’

এদিকে, গত ১৩ জুলাই (বৃহস্পতিবার) এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেন, ফরহাদ মজহার অপহরণ হননি, তিনি অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন।

অপহরণের নাটক সাজানোর পেছনে কি উদ্দেশ্য থাকতে পারে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইজিপি সেদিন বলেন, ‘ফরহাদ মজহারকে অপহরণের অভিযোগ উঠার পরই একটি মহল সরকার, প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিবেশী একটি দেশের বিরুদ্ধে নানা ধরণের বক্তব্য দিতে শুরু করেন। ওই ঘটনার পরই লন্ডনে একটি দল মানববন্ধন করে তাকে অপহরণের মিথ্যা অভিযোগ তোলে। আমরা মনে করেছি তদন্তের পরেই এ বিষয়ে জনগণকে জানানো উচিত।তাই আমরা আমরা শতভাগ স্বচ্ছতা নিয়ে এ ঘটনার তদন্ত শুরু করি।’

আইজিপি আরো বলেন, ‘পুলিশের তদন্তের পর আমার কাছে মনে হয়েছে সরকারকে বিব্রত করার জন্য এবং কিছু টাকা নিজের জিম্মায় নেওয়ার জন্যই অপহরণ নাটক সাজানো হয়েছিলে।’

ফরহাদ মজহার যদি মিথ্যাচার করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নে আইজিপি সেদিন বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় কিনা আমরা তা খতিয়ে দেখছি। কোনো প্রকার আইনি কার্যক্রম শুরু করার সুযোগ থাকলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Post A Comment: