শরীয়তপুরে স্কুলছাত্রী লিজা(১০) হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাতে সখিপুর থানার সরদার কান্দি গ্রামের ফরিদ হোসেন(৩৫) ও জাকির হোসেন নামের ওই দুজনকে আটক করা হয়। সখিপুর থানার ওসি মঞ্জুরুল হক আকন্দ আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দুপুরের দিকে ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে উল্লেখ করে তিনি এর বেশি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
লিজাকে খুনের পর লিভার-কিডনি চুরি, আটক ২

    শরীয়তপুরে স্কুলছাত্রী লিজা(১০) হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাতে সখিপুর থানার সরদার কান্দি গ্রামের ফরিদ হোসেন(৩৫) ও জাকির হোসেন নামের ওই দুজনকে আটক করা হয়। সখিপুর থানার ওসি মঞ্জুরুল হক আকন্দ আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দুপুরের দিকে ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে উল্লেখ করে তিনি এর বেশি মন্তব্য করতে রাজি হননি।


এর আগে গত শনিবার নিখোঁজের ৮ দিন পর পুলিশ লিজার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে। সখিপুর থানার সরদারকান্দি গ্রামের একটি পাটক্ষেত থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

লাশের ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। ময়নাতদন্তের সময় ডাক্তার লিজার লিভার, কিডনি, পাকস্থলী, ফুসফুস, যকৃত, হৃদপিণ্ড ও জরায়ু পাননি।

শরীযতপুর সদর হাসপাতালের (ভারপ্রাপ্ত) আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুমন পোদ্দার জানিয়েছেন, লিজার ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

কোনো একটি চক্র লিজাকে হত্যা করে শরীরের অর্গান নিয়ে যেতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

লিজার চাচি নাছরিন আকতার জানান, সখিপুর থানার সরদারকান্দি গ্রামের লেহাজ উদ্দিন শেখের মেয়ে লিজা গত ১৫ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টায় বাড়ি থেকে ১০ টাকা নিয়ে সখিপুর বাজারের পাশে ভাড়ায় সাইকেল চালাতে যায়। এরপর সে আর বাড়ি ফিরেনি। ওইদিন সন্ধ্যার পর লিজা বাড়িতে না ফেরায় তার বাবা ও মা অনেক খোঁজাখুঁজি করে। পরদিন ১৬ জুলাই সখিপুর থানায় একটি জিডি করেন।

দীর্ঘ ৮দিন পর গত শনিবার সকালে ছৈয়াল কান্দি পাটক্ষেতের পাশে স্থানীয় লোকজন ভাসমান অবস্থায় লিজার অর্ধগলিত লাশ দেখতে পেয়ে সখিপুর থানায় খবর দেয়।

লিজা সখিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণিতে পড়তো।

Post A Comment: