মেহেরপুরে একটি পাতি হাঁসের খামারে হঠাৎ দেখা দিয়েছে অজ্ঞাত রোগ। আর এই রোগে চার দিনে পাঁচ শতাধিক হাঁসের মৃত্যু হয়েছে। তিন শতাধিক হাঁস এখনো অসুস্থ রয়েছে। এই রোগের কোনো প্রতিকার না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারের মালিক।

    মেহেরপুরে একটি পাতি হাঁসের খামারে হঠাৎ দেখা দিয়েছে অজ্ঞাত রোগ। আর এই রোগে চার দিনে পাঁচ শতাধিক হাঁসের মৃত্যু হয়েছে। তিন শতাধিক হাঁস এখনো অসুস্থ রয়েছে। এই রোগের কোনো প্রতিকার না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারের মালিক।


পাঁচ মাস আগে ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে মেহেরপুর সদর উপজেলা কুলবাড়িয়া গ্রামের যুবক রাজু আহম্মেদ চার বিঘা জমির উপরে গড়ে তোলেন পাতি হাঁসের খামার। ১১ লাখ টাকা ব্যয় করে ১১শ হাঁসের বাচ্চা নিয়ে শুরু হয় তার খামারের পথ চলা।

গত পাঁচ মাস রোগ বালাই থেকে মুক্ত ছিল খামারের হাঁস। হঠাৎ চার দিন আগে খামারের কয়েকটি হাঁস মারা যায়। এরপর প্রতিদিন ১ থেকে ২শ হাঁস মারা যেতে থাকেন।

খামারী রাজু আহম্মেদ জানান, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও ভ্যাকসিন ব্যবহার করেও দূর করা যায়নি এই অজ্ঞাত রোগ। এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে বেশ কয়েকবার জেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে যোগাযোগ করলেও কোনো প্রতিকার দিতে পারেন নি তারা।

এমনকি খামার পরিদর্শনে আসেন নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


হাঁসের খামারে কাজ করা শ্রমিকরা জানান, প্রতিদিন আমাদের এই খামারে হাঁস মারা যাচ্ছে। মারা যাওয়া হাঁসগুলোকে পাশে মাটি খুঁড়ে পুঁতে রাখা হচ্ছে। অজ্ঞাত এই রোগের কোনো প্রতিকার আমরা পাচ্ছি না। খামারের হাঁস পাঁচ মাস ধরে ভালোই ছিল। হঠাৎ করে এই রোগ দেখা দিয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এস এম শরীফুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিজ্ঞতা না থাকায় এই সমস্যা হয়েছে। সঠিক সময়ে খাবার না পেয়ে হাঁসগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে মারা যাচ্ছে। এছাড়াও খামারের পাশের নদীতে হাঁসগুলো যাওয়ায় পানিবাহিত রোগ দেখা দিয়েছে।

Post A Comment: