বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে গত ৪ দিন ধরে অবিরাম ভারি বর্ষণ আর অস্বাভাবিক জোয়ারে উপকূলীয় জনপথ পিরোজপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কচা, বলেশ্বর, সন্ধ্যা, কালিগঙ্গা নদীতে জোয়ারের পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার নদী তীরবর্তী প্রায় ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজার হাজার পরিবার। সোমবার এখানকার নদ নদীর পানির চাপ গত কয়েক দিনের চাইতে কয়েক ফুট বেড়ে যায়। যার ফলে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে আরো অনেক এলাকা। অনেকের বসত বাড়ির উঠানে জোয়ারের পানি থৈ থৈ করছে।
পিরোজপুরে ৩০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ চরমে

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে গত ৪ দিন ধরে অবিরাম ভারি বর্ষণ আর অস্বাভাবিক জোয়ারে উপকূলীয় জনপথ পিরোজপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কচা, বলেশ্বর, সন্ধ্যা, কালিগঙ্গা নদীতে জোয়ারের পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার নদী তীরবর্তী প্রায় ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজার হাজার পরিবার। সোমবার এখানকার নদ নদীর পানির চাপ গত কয়েক দিনের চাইতে কয়েক ফুট বেড়ে যায়। যার ফলে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে আরো অনেক এলাকা। অনেকের বসত বাড়ির উঠানে জোয়ারের পানি থৈ থৈ করছে।


জানা যায়, জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। আবাদি নিচু জমি, রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, মাছের ঘের, রান্নাঘরসহ অন্যান্য ফসলাদি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষরা অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। পানি জমে থাকার কারণে সৃষ্টি হচ্ছে নানা ধরনের পানিবাহিত রোগ। পানিবন্দি এইসব দুর্গত মানুষজন সরকারিভাবে কোনো বরাদ্দ না পাওয়ায় এলাকার যুবকরা এবং সমাজ সেবকরা দুর্গত মানুষজনদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন।

এদিকে, পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে কয়েকদিনের টানা বর্ষণ আর অস্বাভাবিক জোয়ারে কচা ও বলেশ্বর নদের পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বেড়িবাঁধ না থাকার কারণে গত ৩ দিন ধরে জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় খোলপটুয়া, চণ্ডিপুর, কলারন,কালাইয়া ও টগড়া, সেউতিবাড়িয়া, পাড়েরহাট, বাদুরা, চাড়াখালী, বালিপাড়া ও চরবলেশ্বর গ্রামের নদী তীরবর্তী প্রায় ১৫ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।

ইন্দুরকানী উপজেলার খোলপটুয়া গ্রামের কৃষক সেলিম বলেন, কচা ও বলেশ্বর নদের পানি বৃদ্ধি পেলেই লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ে বাড়িঘর, ক্ষেত খামার তলিয়ে যায়। আমাদের এখানে বেড়িবাঁধ না থাকায় পানি বৃদ্ধির কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

ইন্দুরকানী উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী বলেন, বেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতি বর্ষা মৌসুমে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার নদী তীরবর্তী হাজার হাজার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

পিরোজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে গত কয়েক দিন ধরে অবিরাম ভারি বর্ষণ আর অস্বাভাবিক জোয়ারে পিরোজপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নদী তীরবর্তী কিছু কিছু এলাকায় বেড়িবাঁধ না থাকায় পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।

Post A Comment: