জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় করা প্যারিস চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক বক্তৃতায় দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। খবর বিবিসির। ট্রাম্প প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘অর্থনৈতিক বোঝা’ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।
 


 জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় করা প্যারিস চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক বক্তৃতায় দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। খবর বিবিসির। ট্রাম্প প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘অর্থনৈতিক বোঝা’ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।


তিনি বলেন, ‘এটি এমন এক চুক্তি, যার কারণে যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে; কিন্তু লাভবান হবে অন্য দেশ। এ চুক্তি মানলে যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে।’

তিনি বলেন, ‘এ চুক্তির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের তিন ট্রিলিয়ন ডলার ক্ষতি হবে এবং প্রায় ৬৫ লাখ মানুষ চাকরি হারাবে।’

এ সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্যারিস চুক্তির চেয়ে আরো ‘ন্যায্য’ চুক্তির বিষয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন বলেও জানান।

তিনি বলেন, ‘আমি প্যারিসের নয়, পিটসবুর্গের (যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া রাজ্যের নগরী) মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করতে নির্বাচিত হয়েছি। আমি প্রতিজ্ঞা করছি, যেই চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ দেখা হয়নি, সেই চুক্তি থেকে আমরা নাম প্রত্যাহার করে নেব, নতুবা এটি নিয়ে পুনরায় আলোচনায় বসতে হবে।’

এ সিদ্ধান্তের পর যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ বিশ্বব্যাপী ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা হচ্ছে।

২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি হওয়ার সময় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, আজ বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের জন্য ব্যথিত হওয়ার দিন।

প্যারিস চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রসহ আরো ১৮৭টি দেশ মিলে অঙ্গীকার করেছিল যে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মাত্রা তারা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম রাখবে; এমনকি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নামিয়ে আনতে চেষ্টা করবে।

Post A Comment: