বাংলাদেশ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা থেকে বের হয়ে আসার পথে রয়েছে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল ‍মুহিত। তিনি মনে করেন, মানুষকে এখন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অনেক বেশি সময় দিতে হয় এবং এটাই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকে।
 


 বাংলাদেশ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা থেকে বের হয়ে আসার পথে রয়েছে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল ‍মুহিত। তিনি মনে করেন, মানুষকে এখন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অনেক বেশি সময় দিতে হয় এবং এটাই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকে।


বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনার সময় এই কথা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘মানুষেরকর্মোদ্দীপনা কোনোভাবেই দেশের অভ্যন্তরের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হতে দেবে না।’

গত অর্থবছরে বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধি গত সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকাও এর একটি কারণ। আগামী অর্থবছরেও এই স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলেও আশার কথা বলেন মন্ত্রী।

১৯৯১ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্বৈরশাসনের অবসান হলেও কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসেনি। ২০০১ সালের পর থেকে ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ বরাবর বাধাগ্রস্থ হয়েছে। ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্তও পরিস্থিতি ছিল উত্তপ্ত।

তবে ২০১৫ সালের পর থেকে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আগামীতেও পরিস্থিতি এমনই থাকবে বলে আশা করছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই স্থিতিশীল পরিস্থিতি আর ব্যাংক ঋণের সুদের নিম্নগতি বিনিয়োগ আরও বাড়বে। এতে দেশে ভোগ বাড়বে, বাড়বে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান।

Post A Comment: