রাঙামাটির দুর্গম লংগদু উপজেলা সদরের চারটি গ্রামে পাহাড়িদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা তিন শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে সাতজনকে।
 



রাঙামাটির দুর্গম লংগদু উপজেলা সদরের চারটি গ্রামে পাহাড়িদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা তিন শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে সাতজনকে।


রাঙামাটির পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এক বাঙালি যুবলীগ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাহাড়িদের বাড়িঘর-দোকানপাটে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে শুক্রবার। লংগদু এলাকায় শুক্রবার রাত থেকে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে খাগড়াছড়ি সদরের চারমাইল এলাকায় রাস্তার পাশের জঙ্গল থেকে লংগদু উপজেলার সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সেদিন সকালে মোটরসাইকেলে দুজন যাত্রী নিয়ে তিনি লংগদু থেকে খাগড়াছড়ি যাচ্ছিলেন। বাঙালিদের অভিযোগ, তাকে হত্যা করা হয়েছে এবং এ ঘটনার সঙ্গে পাহাড়ি কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জড়িত।

ইউনিয়ন যুবলীগের এক নেতার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে লংগদু উপজেলা সদরের চারটি গ্রামের অন্তত ২০০ ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়িরা এ ঘটনার জন্য বাঙালিদের দায়ী করেছেন।

তিনটিলা গ্রামটি প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা বলছেন, গ্রামটির ৮৬টি ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে। তারা বেশ কিছুটা দূরে আশ্রয় নিয়েছেন। কেউ কেউ রাতেই জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছেন।

Post A Comment: