ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চুয়াডাঙ্গা গ্রামে ঘিরে রাখা সন্দেহভাজন দুটি জঙ্গি আস্তানার একটির পাশের বাঁশবাগান থেকে দুটি সুইসাইডাল ভেস্ট (বোমাসহ কোমরে বাঁধার জন্য বেল্ট) উদ্ধার করেছে র‍্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট। মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে খুলনা থেকে আসা র‍্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট সদস্যরা এগুলো উদ্ধার করে।
Two-Swiss-land-vans-in-Bansbagan-Jangi-Astana 


ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চুয়াডাঙ্গা গ্রামে ঘিরে রাখা সন্দেহভাজন দুটি জঙ্গি আস্তানার একটির পাশের বাঁশবাগান থেকে দুটি সুইসাইডাল ভেস্ট (বোমাসহ কোমরে বাঁধার জন্য বেল্ট) উদ্ধার করেছে র‍্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট। মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে খুলনা থেকে আসা র‍্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট সদস্যরা এগুলো উদ্ধার করে।


র‌্যাবের এএসপি আবুল কালাম আজাদ  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সন্দেহভাজন জঙ্গি প্রান্তর বাড়ির বাঁশবাগান থেকে সুইসাইডাল ভেস্ট দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। সুইসাইডাল ভেস্ট দুটি সক্রিয় বলে জানান তিনি।

মাটির নিচে বিপুল বিস্ফোরক আছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে চুয়াডাঙ্গা গ্রামের দুটি বাড়ি ঘিরে ফেলে র‌্যাব ও পুলিশ। বাড়ি দুটির একটির মালিক সেলিম। তিনি গত ৭ মে ঝিনাইদহের মহেশপুরের বজরাপুরের জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের অভিযানে নিহত জঙ্গি তুহিনের ভাই। অপর বাড়ির মালিকের নাম প্রান্ত। তিনি সেলিমের চাচাতো ভাই।

ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনির আহমেদ জানান, ঘিরে রাখা কাঁচাপাকা বাড়ি দুটিতে অভিযান চালানোর সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধারের জন্য র‍্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল খুলনা থেকে রওনা হয়েছে। তারা আসার পর মূল অভিযান শুরু হবে। তবে বাড়ি দুটি জঙ্গি আছে কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।


ঝিনাইদহে জঙ্গি আবদুল্লাহ ও তুহিন নিহত হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই বাড়ি দুটির ওপর নজর রাখছিল বলে র‍্যাবের একটি সূত্র জানিয়েছে।

গত ৭ মে ঝিনাইদহ সদর ও মহেশপুর উপজেলায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে দুটি বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। অভিযানের সময় মহেশপুরের বাড়িটিতে আব্দুল্লাহ ও তুহিন নামে সন্দেহভাজন দুই জঙ্গি নিহত হয়। সদর উপজেলার বাড়িটিতে অভিযান চালালেও সেখানে কাউকে পায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে সেখান থেকে বেশ কিছু বিস্ফোরক ও বোমা উদ্ধার করার কথা জানানো হয়েছিল।

Post A Comment: