একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা আসমা আক্তার সাথী। গত তিন মাসে কর্মস্থলে যাওয়া-আসার পথে চারবার ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন তিনি। শেষবার তিনি যখন ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন, সে সময় রিকশা থেকে পড়ে পা ভেঙে যায় তার।
গজারিয়ায় পুলিশও চেনে না ছিনতাইকারীরা 


একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা আসমা আক্তার সাথী। গত তিন মাসে কর্মস্থলে যাওয়া-আসার পথে চারবার ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন তিনি। শেষবার তিনি যখন ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন, সে সময় রিকশা থেকে পড়ে পা ভেঙে যায় তার।


মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। পেশায় একজন সংবাদকর্মী। গজারিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি। ১৫ মে রাতে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে রিকশাযোগে পুরান বাউশিয়ার বাড়িতে ফেরার পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাউশিয়া এলাকায় ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। তার ল্যাপটপ, ট্যাব, মানিব্যাগসহ প্রায় সবকিছু নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।

এ ঘটনার পাঁচ দিনের মাথায় ২১ মে একই স্থানে ফের ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন তিনি।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে সাম্প্রতিক সময়ে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে ছিনতাইয়ের ঘটনা। প্রায় প্রতিদিনই বেপরোয়া ছিনতাইকারীদের খপ্পড়ে পড়ছে মানুষ। সাধারণ মানুষ ছাড়াও ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ছেন জনপ্রতিনিধি, পুলিশ কর্মকর্তা, সংবাদকর্মীসহ নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ।

সাংবাদিক জসিম উদ্দিনের অভিযোগ, ছিনতাই স¤পর্কে স্থানীয় থানার পুলিশকে জানানো হলেও দৃশ্যত কোনো প্রদক্ষেপ নেয়নি তারা।
তবে বিষয়টি আমলে নিয়ে মহাসড়কে পুলিশি টহল জোরদারের কথা জানান  মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. জায়েদুল আলম।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও ছিনতাইয়ের শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় প্রতিদিনই এখানে ঘটে ছিনতাইয়ের ঘটনা। মহাসড়কের আশপাশে গড়ে ওঠা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিক, পথচারী ও মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহন চালক বিশেষ করে মহিলা যাত্রীরা ছিনতাইকারীদের প্রধান টার্গেট।

আসমা আক্তার সাথীর মতো সম্প্রতি ছিনতাইয়ের কবলে পড়েছেন ব্যাংকার সুমাইয়া শেফা। তবে তার ভাগ্য ভালো তিনি আহত হননি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেশির ভাগ ছিনতাই হয় সন্ধ্যার পর। রাতের আঁধারে মহাসড়কের পাশে ঝোপে লুকিয়ে থেকে, মোটরসাইকেল বা মাইক্রোবাস, কিংবা প্রাইভেট গাড়িতে এসে হানা দেয় অতর্কিতে। আক্রান্ত যাত্রী কিংবা পথচারী পরিস্থিতি ভালোভাবে বুঝে ওঠার আগেই সব ছিনিয়ে নিয়ে নির্বিঘেœœ পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।

গত কয়েক মাসে ওই এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়লেও নির্বিকার প্রশাসন। এখনো পর্যন্ত আটক হয়নি একজন ছিনতাইকারীও।  

গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেদায়াতুল ইসলাম ভূঞা জানান, তারা এসব ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাননি। তবে রমজান মাস উপলক্ষে মহাসড়কে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা আসমা আক্তার সাথী। গত তিন মাসে কর্মস্থলে যাওয়া-আসার পথে চারবার ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন তিনি। শেষবার তিনি যখন ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন, সে সময় রিকশা থেকে পড়ে পা ভেঙে যায় তার।

মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। পেশায় একজন সংবাদকর্মী। গজারিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি। ১৫ মে রাতে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে রিকশাযোগে পুরান বাউশিয়ার বাড়িতে ফেরার পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাউশিয়া এলাকায় ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। তার ল্যাপটপ, ট্যাব, মানিব্যাগসহ প্রায় সবকিছু নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।

এ ঘটনার পাঁচ দিনের মাথায় ২১ মে একই স্থানে ফের ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন তিনি।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে সাম্প্রতিক সময়ে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে ছিনতাইয়ের ঘটনা। প্রায় প্রতিদিনই বেপরোয়া ছিনতাইকারীদের খপ্পড়ে পড়ছে মানুষ। সাধারণ মানুষ ছাড়াও ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ছেন জনপ্রতিনিধি, পুলিশ কর্মকর্তা, সংবাদকর্মীসহ নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ।

সাংবাদিক জসিম উদ্দিনের অভিযোগ, ছিনতাই স¤পর্কে স্থানীয় থানার পুলিশকে জানানো হলেও দৃশ্যত কোনো প্রদক্ষেপ নেয়নি তারা।
তবে বিষয়টি আমলে নিয়ে মহাসড়কে পুলিশি টহল জোরদারের কথা জানান  মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. জায়েদুল আলম।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও ছিনতাইয়ের শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় প্রতিদিনই এখানে ঘটে ছিনতাইয়ের ঘটনা। মহাসড়কের আশপাশে গড়ে ওঠা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিক, পথচারী ও মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহন চালক বিশেষ করে মহিলা যাত্রীরা ছিনতাইকারীদের প্রধান টার্গেট।

আসমা আক্তার সাথীর মতো সম্প্রতি ছিনতাইয়ের কবলে পড়েছেন ব্যাংকার সুমাইয়া শেফা। তবে তার ভাগ্য ভালো তিনি আহত হননি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেশির ভাগ ছিনতাই হয় সন্ধ্যার পর। রাতের আঁধারে মহাসড়কের পাশে ঝোপে লুকিয়ে থেকে, মোটরসাইকেল বা মাইক্রোবাস, কিংবা প্রাইভেট গাড়িতে এসে হানা দেয় অতর্কিতে। আক্রান্ত যাত্রী কিংবা পথচারী পরিস্থিতি ভালোভাবে বুঝে ওঠার আগেই সব ছিনিয়ে নিয়ে নির্বিঘেœœ পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।

গত কয়েক মাসে ওই এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়লেও নির্বিকার প্রশাসন। এখনো পর্যন্ত আটক হয়নি একজন ছিনতাইকারীও।  

গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেদায়াতুল ইসলাম ভূঞা জানান, তারা এসব ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাননি। তবে রমজান মাস উপলক্ষে মহাসড়কে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

Post A Comment: