সরকার পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাগ্রহণ না করা পর্যন্ত গণআন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, নির্যাতিত নিপীড়িত পার্বত্যবাসী। তারা বলেন, তিন পার্বত্য জেলায় উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসী কর্তৃক খুন, গুম, ধর্ষণ, অপহরণ, চাঁদাবাজি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের অবৈধ অস্ত্রের কারণে নিরাপত্তাহীন এখন পাহাড়ের মানুষ। তাদের হাতে জিম্মি হয়ে আছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ স্থানীয় বাঙালীরা। কিন্তু পাহাড়ের মানুষ এখন আর সন্ত্রাসীদের অস্ত্রকে ভয় পায়না। তাই তাদের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে নেমেছে পাহাড়ে বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালীরা। রোববার দুপুর ১টায় শহরের জিমনেসিয়াম মাঠে ‘নির্যাতিত নিপীড়িত পার্বত্যবাসী’র উদ্যোগে আয়োজিত মহাসমাবেশে বক্তরা এসব কথা বলেন।
Mass-movement-against-torture-of-illegal-gunmen-in-mountain 


সরকার পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাগ্রহণ না করা পর্যন্ত গণআন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, নির্যাতিত নিপীড়িত পার্বত্যবাসী। তারা বলেন, তিন পার্বত্য জেলায় উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসী কর্তৃক খুন, গুম, ধর্ষণ, অপহরণ, চাঁদাবাজি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের অবৈধ অস্ত্রের কারণে নিরাপত্তাহীন এখন পাহাড়ের মানুষ। তাদের হাতে জিম্মি হয়ে আছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ স্থানীয় বাঙালীরা। কিন্তু পাহাড়ের মানুষ এখন আর সন্ত্রাসীদের অস্ত্রকে ভয় পায়না। তাই তাদের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে নেমেছে পাহাড়ে বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালীরা। রোববার দুপুর ১টায় শহরের জিমনেসিয়াম মাঠে ‘নির্যাতিত নিপীড়িত পার্বত্যবাসী’র উদ্যোগে আয়োজিত মহাসমাবেশে বক্তরা এসব কথা বলেন।


 


এসময় সমাবেশে পার্বত্য নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক বেগম নূর জাহানের সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, মহাসমাবেশের প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম মুন্না, সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত কিনা মহন চাকমার ছেলে রূপ কুমার চাকমা, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সভাপতি পারভেজ তালুকদার, পার্বত্য বাঙালী ছাত্র পরিষদের ঢাকা মহানগর সভাপতি মো. শাহাদাৎ ফরাজি সাবিক, পার্বত্য চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর কামাল, পার্বত্য বাঙালীছাত্র পরিষদের সাধারন সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, বাঙালী নেতা মো. কাজি জালোয় প্রমুখ।


মহাসমাবেশে নির্যাতিত নিপীড়িত পার্বত্যবাসী নেতারা আরো বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হাজার হাজার পাহাড়ি ও বাঙালী পরিবার দীর্ঘ বছরেও তাদের স্বজন হত্যার বিচার পায়নি। এছাড়া বিচার পায়নি মোটরসাইকেল চালক ছাদেকুল হত্যাকান্ডের। বক্তরা বলেন, পাহাড়ে একজন চায়ের দোকান থেকে শুরু করে কলা ব্যবসীকেও দিতে হয় চাঁদা। চাঁদাবাজির কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নও । তাই আজও পিছিয়ে আছে পাহাড়ের হাজার হাজার মানুষ। আর এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মদদ দিচ্ছে দেশী-বিদেশী কিছু কুচক্রীমহল। তাই পাহাড়ি-বাঙালী ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাহাড়ের চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের গণআন্দোলনে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান বক্তরা।





এ আগে সকাল ১০টা থেকে রাঙামাটি পৌরসভা চত্ত্বরে তিন পার্বত্য জেলার জেলা ও উপজেলা থেকে আগত বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নারী-পুরুষ বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেন। সেখান থেকে দলে দলে শুরু হয় নির্যাতিত নিপীড়িত পার্বত্যবাসী ব্যানারে বের করা হয় বিক্ষোভ মিছিল। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক করে শহরের জিমনেসিয়াম মাঠে মহাসমাবেশে মিলিত হয়। পাহাড়ি ও বাঙালী হাজারো নারী পুরুষ বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। এসময় মহাসমাবেশ গণমানুষের সমুদ্রে পরিনত হয়।

Post A Comment: