হবিগঞ্জের বাহুবলে নাছির উদ্দিন নামে একজন এক বছরেরও বেশি সময় শিকলে বাঁধা জীবন পার করছিলেন। বসতঘরের পাশেই একটি অস্থায়ী টিনসেড ঘরে পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় কাঠে শুয়ে-বসে দিন কাটাচ্ছিলেন তিনি। সেখানে তাকে যা দেয়া হতো, তাই খেয়ে ক্ষুধা মেটাতেন পঞ্চাশোর্ধ্ব ওই ব্যক্তি। তাকে ওই অবস্থায়ই নামাজ আদায় করতেও দেখা গেছে।
শিকলবন্দী জীবন থেকে মুক্তি মিলল বাহুবলের নাছিরের 


হবিগঞ্জের বাহুবলে নাছির উদ্দিন নামে একজন এক বছরেরও বেশি সময় শিকলে বাঁধা জীবন পার করছিলেন। বসতঘরের পাশেই একটি অস্থায়ী টিনসেড ঘরে পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় কাঠে শুয়ে-বসে দিন কাটাচ্ছিলেন তিনি। সেখানে তাকে যা দেয়া হতো, তাই খেয়ে ক্ষুধা মেটাতেন পঞ্চাশোর্ধ্ব ওই ব্যক্তি। তাকে ওই অবস্থায়ই নামাজ আদায় করতেও দেখা গেছে।


উপজেলার মিটাপুর গ্রামের নাছির উদ্দিনকে তার স্বজনরা ‘পাগল’ আখ্যা দিয়ে শিকলে বেঁধে রেখেছিল।

পরে খবর পেয়ে রবিবার রাতে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ ওই ব্যক্তিকে শিকলে বাঁধা জীবন থেকে মুক্ত করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার মিটাপুর গ্রামের নাছির উদ্দিন গত কয়েক বছর ধরে অস্বাভাবিক আচরণ করছেন। কখনও লোকজনের সাথে রুঢ় আচরণ করছেন, আবার কারো কারো উপর চড়াও হচ্ছেন। এতে তাকে নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা মারাত্মক বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন। এ অবস্থায় তার চিকিৎসা জরুরি হলেও তার স্বজনরা তাকে শিকল পরিয়ে বসতঘরের পাশে আলাদা একটি সেড তৈরি করে সেখানে বন্দী করে রাখেন। এ অবস্থায়ই চলতে থাকে তার জীবন।

খবর পেয়ে রাতে বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান পুলিশ পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

মনিরুজ্জামান বলেন, শিকলে বাঁধা নাছির উদ্দিনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।

Post A Comment: