শনিবার সকাল থেকে ভারতের বেঙ্গালুরু শহরের ভার্থুর লেকের পানি সাদা ফেনায় ভরে যেতে শুরু করে। গত কয়েক দিন ধরেই অঝোরে বৃষ্টি হচ্ছে বেঙ্গালুরুতে। লেক ছাড়িয়ে তা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে আশপাশের এলাকায়। বৃষ্টির তীব্রতার পাশাপাশি বাড়তে থাকে সাদা ওই ফেনার পরিমাণও। প্রথম দিকে বেঙ্গালুরু পুরসভা বিষয়টিকে তেমন একটা আমল দিতে চায়নি। কিন্তু, রবিবার পরিস্থিতি আরও জটিল হতে শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ জানাতে শুরু করেন, ওই ফেনা গায়ে লাগলেই শরীরের সেই অংশটি চুলকাচ্ছে, জ্বালা করছে এবং লালও হয়ে যাচ্ছে। এর পরেই খবর দেওয়া হয় ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের। আজ সোমবার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে রাস্তায় যানবাহনের পরিমাণও ছিল কম।
 


শনিবার সকাল থেকে ভারতের বেঙ্গালুরু শহরের ভার্থুর লেকের পানি সাদা ফেনায় ভরে যেতে শুরু করে। গত কয়েক দিন ধরেই অঝোরে বৃষ্টি হচ্ছে বেঙ্গালুরুতে। লেক ছাড়িয়ে তা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে আশপাশের এলাকায়। বৃষ্টির তীব্রতার পাশাপাশি বাড়তে থাকে সাদা ওই ফেনার পরিমাণও। প্রথম দিকে বেঙ্গালুরু পুরসভা বিষয়টিকে তেমন একটা আমল দিতে চায়নি। কিন্তু, রবিবার পরিস্থিতি আরও জটিল হতে শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ জানাতে শুরু করেন, ওই ফেনা গায়ে লাগলেই শরীরের সেই অংশটি চুলকাচ্ছে, জ্বালা করছে এবং লালও হয়ে যাচ্ছে। এর পরেই খবর দেওয়া হয় ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের। আজ সোমবার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে রাস্তায় যানবাহনের পরিমাণও ছিল কম।


প্রাথমিক ভাবে সকলে মনে করেছিলেন, সাবানের ফেনা। আর সে কারণে কেউই বিষয়টা গুরুত্ব দেয়নি প্রথমে। তবে, ভুল ভাঙতে বেশি সময় লাগেনি। সাদা ফেনা যাদের গায়ে লাগে, সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় চুলকানি। পরে জানা যায়, সাবানের ফেনা বলে যাকে মনে করা হয়েছিল তা আসলে অতি বিষাক্ত পদার্থ।

ফেনার নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয় ল্যাবরেটরিতে। প্রাথমিক ভাবে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞেরা জানিয়েছেন, ওই সাদা রঙের ফেনা অত্যন্ত বিষাক্ত এবং তা রাসায়নিক ভাবেই তৈরি হয়েছে। ফেনা যাতে কোনও ভাবেই গায়ে না লাগে, সে জন্য সকলকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তারা। তবে ওই রাসায়নিক ফেনা আসলে কী, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। বেশ কয়েকটি পরীক্ষার পরেই এ বিষয়ে নিশ্চিত করে জানানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এলাকার এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, ফেনা গায়ে লাগলেই সেই জায়গাটা চুলকাতে শুরু করছে। কিছুটা পরেই জায়গাটা লাল হয়ে যাচ্ছে, আর জ্বালাও করছে। পরিস্থিতি শীঘ্রই স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে পুরসভা। কিন্তু স্বাভাবিক তো দূরের কথা, গত তিন দিনে ফেনার পরিমাণ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। ফেনার হাত থেকে গা বাঁচিয়ে চলা কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে। বিষাক্ত ফেনা শহরের বড় রাস্তাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে যান চলাচলেও। সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার খুবই কম যান চলাচল করছে শহরে। পরিবেশবিদদের অভিযোগ, দূষণের মাত্রা গোটা বেঙ্গালুরু শহরে ভয়াবহ আকার নিয়েছে। শহরের অধিকাংশ লেকের পানিই নোংরা এবং দূষিত। তাদের অভিযোগ, পুরসভা এবং প্রশাসনের উদাসীনতার জন্যেই পরিস্থিতি এমন জটিল আকার নিচ্ছে। এর আগে এই ভার্থুর লেকেই একবার আগুন ধরে গিয়েছিল। সেবারও কারণ হিসেবে মাত্রারিক্ত পরিবেশ দূষণকেই দায়ী করা হয়েছিল।

Post A Comment: