২০১৩ সালে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোস থেকে বার্সেলোনায় পাড়ি জমিয়েছিলেন নেইমার। এরপর স্প্যানিশ জায়ান্টদের হয়ে জিতেছেন লা লিগা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ আরও অনেক মেজর শিরোপা। ক্যারিয়ার শেষে ট্রফি ক্যাবিনেটে আরও অনেক শিরোপা জমা হবে নেইমারের। কিন্তু ক্যারিয়ারের ইতি কি কাতালান ক্লাবের হয়েই টানবেন তিনি?


 ২০১৩ সালে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোস থেকে বার্সেলোনায় পাড়ি জমিয়েছিলেন নেইমার। এরপর স্প্যানিশ জায়ান্টদের হয়ে জিতেছেন লা লিগা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ আরও অনেক মেজর শিরোপা। ক্যারিয়ার শেষে ট্রফি ক্যাবিনেটে আরও অনেক শিরোপা জমা হবে নেইমারের। কিন্তু ক্যারিয়ারের ইতি কি কাতালান ক্লাবের হয়েই টানবেন তিনি?

লিওনেল মেসির সাথে নেইমারের অমিল রয়েছে অনেক। ক্যারিয়ার নিয়ে দু’জনের ভবিষ্যৎ ভাবনার ব্যাপারটাতেই বোঝা যায়। মেসি সবসময়ই বলেন বার্সেলোনাতেই ক্যারিয়ারের ইতি টানতে চান। কিন্তু আজীবন স্প্যানিশ এই ক্লাবে থাকার ইচ্ছা নেই ২৫ বছর বয়সী নেইমারের। ফিরতে চান মাতৃভূমি ব্রাজিলে।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে নেইমার বলেন, ‘আমার প্রচন্ড ইচ্ছা, আমি একদিন ফ্ল্যামেঙ্গোর হয়ে খেলবো। দর্শকে কানায় কানায় পূর্ণ মারাকানা স্টেডিয়ামে ফ্ল্যামেঙ্গোর হয়ে কোপা লিবের্তোদোরেসের ম্যাচ খেলবো।’

ক্যারিয়ারের শেষের দিকে ব্রাজিলেই ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা এই তারকা ফুটবলারের। যদিও ২০২১ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনার সাথে চুক্তিবদ্ধ ব্রাজিল দলের অধিনায়ক।

২০১৩ সালে সান্তোস থেকে বার্সেলোনায় গিয়েছিলেন নেইমার। ব্রাজিল থেকে স্পেনে যেতে তাকে অনেক ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। বার্সেলোনার সাথে চুক্তি করা নিয়ে নেইমারকে দাঁড়াতে হয়েছে আদালতের কাঠগড়ায়ও।

শৈশবের ক্লাবের প্রতি সেই ভালোবাসা কি আর আগের মতো আছে? সত্যিই নেই। গেলো শুক্রবার সান্তোসের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কোনো শুভেচ্ছা জানাননি নেইমার। খানিকটা ক্ষোভের বশেই নেইমার বলেন, ‘আমি কাউকে শুভেচ্ছা জানাতে বাধ্য নই। সান্তোসকে আমি ভালোবাসি। তবে তারা যা বলবে আমি তা করতে বাধ্য নই।’

Post A Comment: