পানীয় রাখার জন্য প্লাস্টিক বোতলের দিন বোধহয় শেষ হতে যাচ্ছে । কারণ পানীয় ধরে রাখার জন্য বাজারে এসেছে নতুন এক প্রযুক্তি। এক ধরনের বুদ্বুদ। গোলাকৃতির ওই বুদ্বুদটি অনায়াসে খেয়ে ফেলা যাবে। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন দোকানে ইতিমধ্যেই ওই বুদ্বুদের বাজারজাতকরণ শুরু হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিটিভি নিউজ। পানীয় ধারক ওই বুদ্বুদ আবিষ্কার করেছেন ব্রিটেনের তিন ছাত্র। সেটির নাম তাঁরা দিয়েছেন ‘ওহো’।


পানীয় রাখার জন্য প্লাস্টিক বোতলের দিন বোধহয় শেষ হতে যাচ্ছে । কারণ পানীয় ধরে রাখার জন্য বাজারে এসেছে নতুন এক প্রযুক্তি। এক ধরনের বুদ্বুদ। গোলাকৃতির ওই বুদ্বুদটি  অনায়াসে খেয়ে ফেলা যাবে। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন দোকানে ইতিমধ্যেই ওই বুদ্বুদের বাজারজাতকরণ শুরু হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিটিভি নিউজ। পানীয় ধারক ওই বুদ্বুদ আবিষ্কার করেছেন ব্রিটেনের তিন ছাত্র ছাত্রী। সেটির  নাম তাঁরা দিয়েছেন ‘ওহো’।

বুদ্বুদটির আবিষ্কারক ছাত্ররা জানিয়েছেন, বর্তমান প্লাস্টিকের বোতলের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে তাঁদের আবিষ্কার করা বুদ্বুদ। এতে রাখা যাবে পানিসহ সব ধরনের পানীয়। ‘ওহো’ নামের ওই বুদ্বুদের মুখ ছিঁড়ে পানি খাওয়া যাবে। ইচ্ছা করলে বুদ্বুদসহ খেয়ে নেওয়া যাবে পানি। সাধারণ প্লাস্টিকের বোতলের তুলনায় কম খরচে ও সময়ে ‘ওহো’ তৈরি করা যাবে বলে জানান আবিষ্কারকরা।

এদিকে একটা কোম্পানিও খুলে ফেলেছেন ‘ওহো’র তিন আবিষ্কারক। নাম দিয়েছেন ‘স্কিপিং রকস ল্যাব’। প্রচারের জন্য পানির তৈরি ওই বুদ্বুদ বিভিন্ন দৌড় প্রতিযোগিতা ও কনসার্টে বিনামূল্যে বিতরণও করা হচ্ছে।

চলতি সপ্তাহেই ‘ক্রাউডকিউব’ নামের একটি তহবিল সংগ্রহের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্থ জোগাড় করা শুরু করেছে ‘স্কিপিং রকস ল্যাব’ নামে কোম্পানিটি। চার লাখ পাউন্ডের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে মাত্র তিন দিনেই আট লাখ পাউন্ড সংগ্রহ করেছে তারা। 

Post A Comment: