ধর্ষিত নারীকে বিয়ে করলে ধর্ষণকারীর সাজা মওকুফের বিতর্কিত একটি আইন জর্ডান সরকার বাতিল করে দিয়েছে। এই আইনটি পাস হওয়ার পর গত কয়েক বছর ধরে নারী অধিকার কর্মীদের দাবি ও আন্দোলনের মধ্যে জর্ডান সরকারের মন্ত্রিসভা রবিবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর বিবিসির।
জর্ডানে ধর্ষিতাকে বিয়ে করার আইন বাতিল 


ধর্ষিত নারীকে বিয়ে করলে ধর্ষণকারীর সাজা মওকুফের বিতর্কিত একটি আইন জর্ডান সরকার বাতিল করে দিয়েছে। এই আইনটি পাস হওয়ার পর গত কয়েক বছর ধরে নারী অধিকার কর্মীদের দাবি ও আন্দোলনের মধ্যে জর্ডান সরকারের মন্ত্রিসভা রবিবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর বিবিসির।


মুসলিম ও খ্রিস্টান ধর্মীয় পণ্ডিতরা ছাড়া বিভিন্ন সংগঠন এই আইনটির সমালোচনা করে আসছিল।

জর্ডানের পেনাল কোডে এই আইনটি পরিচিত ছিল আর্টিকেল ৩০৮ হিসেবে। এই আইনের কারণে ধর্ষিত নারীকে বিয়ে করে ধর্ষণকারী ব্যক্তি কারাদণ্ড এড়াতে পারত।

এই আইনটির পক্ষে যারা ছিলেন তাদের বক্তব্য ছিল, ধর্ষিত নারীর সম্মান ও ভাবমূর্তি রক্ষার জন্যেই এটি প্রণয়ন করা হয়েছিল।

বহু সমালোচনা ও আন্দোলনের পর সরকার গত বছর আইনটিতে কিছুটা পরিবর্তন আনে। সংশোধিত এই আইনের ফলে ধর্ষণকারী শুধু তখনই ধর্ষিত নারীকে বিয়ে করতে পারত যদি তার বয়স ১৫ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে হয় এবং ধর্ষণের ঘটনাটি যদি তাদের মধ্যে সম্মতির ভিত্তিতে হয়ে থাকত।

তারপর ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ পরিবারের একটি কমিটি পুরো আইনটিকেই বাতিল করার প্রস্তাব দেয়।

 তখন জর্ডানের প্রখ্যাত নারী ব্যক্তিত্ব লায়লা নাফা একে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘স্বপ্ন সত্য হয়েছে।’

জর্ডানে এই আইনটি বাতিল করা হলেও মধ্যপ্রাচ্যের আরো অনেক দেশে এটি এখনও বহাল রয়েছে।

লেবাননেও রয়েছে এ ধরনের আইন যেখানে এর প্রতিবাদে নারীরা বহুদিন ধরে আন্দোলন করছেন।  বৈরুতে জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকতগুলোতে বিভিন্ন জায়গায় তারা এর প্রতিবাদে বিয়ের পোশাক ঝুলিয়ে রেখেছেন নারী আন্দোলনকারীরা। তারাও আশা করছেন যে আগামী মে মাসে হয়তো লেবাননেও আইনটি বাতিল ঘোষণা করা হতে পারে।

Post A Comment: