সেই সন্ধ্যার অভিজ্ঞতাটা ভুলতে চাইছেন খুব করে। কিন্তু বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের ফুটবলাররা কেউই বোধ হয় মন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারছেন না ঘটনাটা। সেই সিগনাল ইদুনা পার্কের দিকে যাত্রা, হঠাৎ বিকট শব্দে পরপর তিনটি বিস্ফোরণ! বাসের জানালার কাচ ভেঙে মার্ক বার্ত্রার আঘাত। চ্যাম্পিয়নস লিগে মোনাকোর বিপক্ষে ম্যাচটি স্থগিত হয়ে যাওয়া—গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার সবকিছুই এখনো দুঃস্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে তাঁদের!


সেই সন্ধ্যার অভিজ্ঞতাটা ভুলতে চাইছেন খুব করে। কিন্তু বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের ফুটবলাররা কেউই বোধ হয় মন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারছেন না ঘটনাটা। সেই সিগনাল ইদুনা পার্কের দিকে যাত্রা, হঠাৎ বিকট শব্দে পরপর তিনটি বিস্ফোরণ! বাসের জানালার কাচ ভেঙে মার্ক বার্ত্রার আঘাত। চ্যাম্পিয়নস লিগে মোনাকোর বিপক্ষে ম্যাচটি স্থগিত হয়ে যাওয়া—গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার সবকিছুই এখনো দুঃস্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে তাঁদের!

গোলরক্ষক রোমান বুরকির জীবনে ওটা ছিল সবচেয়ে বাজে রাত। সারা রাত ঘুমাতে পারেননি। তবে তিনি সান্ত্বনা খুঁজছেন বাড়ি ফিরে মা–বাবার সান্নিধ্যটা পেয়েছে বলে, ‘আমি বাড়ি ফিরে আমার বাবা-মাকে পেয়েছি। এটা আমাকে স্বস্তি দিয়েছ। তাদের সঙ্গে কথা বলে মনটা হালকা করেছি। সেদিনের রাতটা আমার জীবনের সবচেয়ে বাজে রাত। একটুও দুই চোখের পাতা এক করতে পারিনি।’

মোনাকোর বিপক্ষে ম্যাচটি বোমা হামলার জন্য সেদিনের জন্য স্থগিত হয়ে গেলেও ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যেই মাঠে নামতে হয়েছে ডর্টমুন্ড খেলোয়াড়দের। এ নিয়ে সমালোচনার মুখেও পড়েছে উয়েফা।

ওই ঘটনার পর এত অল্প সময়ের মধ্যে মাঠে নামাটা যে খুব কঠিন ছিল, তা বলেছেন বুরকিও। ওই সময় ডর্টমুন্ড খেলোয়াড়দের মানসিক অবস্থা কেমন ছিল, তা বোঝা যাবে বুরকির কথা শুনলেই, ‘আমরা ম্যাচে মনোযোগ দিতে পারছিলাম না। ম্যাচ শেষে অনেকের চোখেই কান্না দেখেছি। তবে এটা ঠিক যে ঠাসা সূচির কারণে আমাদের কারওরই বাড়িতে সোফায় বসে ভয়ংকর ঘটনাটি ভেবে ভেবে আঁতকে উঠতে হয়নি!’ 

সূত্র: গোল ডটকম।

Post A Comment: