প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই দিন আগে ফ্রান্সের প্যারিসে বন্দুকধারীর গুলিতে একজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। পুলিশের ছোড়া পাল্টা গুলিতে হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে।
প্যারিসে হামলার দায় স্বীকার আইএসের 


প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই দিন আগে ফ্রান্সের প্যারিসে বন্দুকধারীর গুলিতে একজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। পুলিশের ছোড়া পাল্টা গুলিতে হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে।


বৃহস্পতিবার রাতে সেন্ট্রাল প্যারিসের চ্যাম্পস-এলেসিস অ্যাভিনিউয়ের এ ঘটনার দায় ইসলামি জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) স্বীকার করে নিয়েছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

হামলার ওই ঘটনাকে 'কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ড' বলে অাখ্যা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলাদ।

ঘটনার বর্ণনায় বিবিসি বলছে, পুলিশের একটি টহল দলের ওপর আচমকা একজন বন্দুকধারী গুলি ছুঁড়লে ওই পুলিশ সদস্য নিহত হন। এসময় আরও দুইজন আহত হয়েছেন।

এরপর পুলিশের গুলিতে হামলাকারীও মারা যায়। এ ঘটনার পর পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় এলাকা বলে পরিচিত 'দ্য চ্যাম্পস এলিসি'বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলোতে ৩৯ বছর বয়সী ওই হামলকারীর মরদেহের কাছ খেকে উদ্ধার হওয়া কাগজপত্রের সূত্র ধরে তাকে জঙ্গিবাদে জড়িত বলে পরিচয় দেওয়া হলেও এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

আইএসের কথিত বার্তাসংস্থা আমাক বলছে, প্যারিসে হামলার দায় স্বীকার করে আইএস বলেছে- তাদের একজন যোদ্ধা ওই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ওঁলাদ হামলার ঘটনাকে 'সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড' মন্তব্য করে বিষয়টি নিয়ে এক নিরাপত্তা বৈঠকের ডাক দিয়েছেন।

নিহত পুলিশ কর্মকর্তার প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেছেন, দেশের নিরাপত্তা জোরদার রয়েছে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র পিয়েরে হেনরি ব্রান্ডেট বলেছেন, নিহত পুলিশ কর্মকর্তাকে 'টার্গেট' করে গুলি করা হয়েছে। কিন্তু এই হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনো ধারণা তিনি দিতে পারেননি।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ইতিমধ্যেই সন্ত্রাস বিরোধী তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফ্রান্সে ২০১৫ সালে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে জরুরি অবস্থা জারি রয়েছে। হামলার ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থীরা শেষবারের মতো টেলিভিশনে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরছিলেন।

Post A Comment: