দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, হাওর অঞ্চলে কৃষকদের পাশাপাশি জেলেরাও কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাই কৃষকদের পাশাপাশি জেলেদেরও ভিজিএফ দেয়া হবে। তাদের সবার বিকল্প কর্মসংস্থান করা হবে। ইতোমধ্যে বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য জেলাভেদে ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে ৪০ দিনের কর্মসূচি প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসংস্থান করা হবে।
 হাওরের জেলেরাও ভিজিএফ পাবেন


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, হাওর অঞ্চলে কৃষকদের পাশাপাশি জেলেরাও কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাই কৃষকদের পাশাপাশি জেলেদেরও ভিজিএফ দেয়া হবে। তাদের সবার বিকল্প কর্মসংস্থান করা হবে। ইতোমধ্যে বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য জেলাভেদে ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে ৪০ দিনের কর্মসূচি প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসংস্থান করা হবে।


বুধবার সচিবালয়ের সভাকক্ষে হাওর অঞ্চলের চলমান বন্যা পরিস্থিতির উপর এক পর্যালোচনা সভায় এ তথ্য জানান মন্ত্রী। সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. শাহ্ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. রিয়াজ আহাম্মদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে হাওর অঞ্চলের তিন লাখ ৩০ হাজার প্রান্তিক দরিদ্র লোককে ভিজিএফ সহায়তা দেয়া হবে। এ সংখ্যা বাড়তে থাকলে বাড়তি লোকদেরও সহায়তা করা হবে। এর পাশাপাশি সুলভ মূল্য ও ওএমএস কার্যক্রম চলমান থাকবে। হাওর এলাকার কর্মকর্তাদের ছুটি ও প্রেষণ বাতিল এবং শুন্যপদে পদায়নের জন্য তিনি সব মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, হাওর এলাকার ত্রাণ বিতরণ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য প্রত্যেক জেলায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব/অতিরিক্ত পর্যায়ের কর্মকর্তা পাঠানো হয়েছে। এর বাইরে অতিরিক্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও প্রকৌশলী পদায়ন করা হয়েছে। ত্রাণ বিতরণে যে কোনো অনিয়ম মেনে নেয়া হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি করেন।

Post A Comment: