ছাত্র অবস্থাতেই জঙ্গিবাদী কার্যক্রমে জড়িত নব্য জেএমবির তামিম-সারোয়ার গ্রুপের ইম্প্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিশেষজ্ঞ মো. মুশফিকুর রহমান ওরফে মুশফিক মার্টিন জেনী। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিল সে। জঙ্গি সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ততা ও অনিয়মিত পড়াশোনার কারণে পড়াশোনা শেষ করতে পারেনি। নিয়মিত ফি প্রদান করে বুয়েটে তার ছাত্রত্ব টিকিয়ে রেখে এর আড়ালে জঙ্গিবাদী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানালেন র‍্যাব- ১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর।

 ছাত্র অবস্থাতেই জঙ্গিবাদী কার্যক্রমে জড়িত নব্য জেএমবির তামিম-সারোয়ার গ্রুপের ইম্প্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিশেষজ্ঞ মো. মুশফিকুর রহমান ওরফে মুশফিক মার্টিন জেনী। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিল সে। জঙ্গি সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ততা ও অনিয়মিত পড়াশোনার কারণে পড়াশোনা শেষ করতে পারেনি। নিয়মিত ফি প্রদান করে বুয়েটে তার ছাত্রত্ব টিকিয়ে রেখে এর আড়ালে জঙ্গিবাদী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানালেন র‍্যাব- ১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর।


তিনি জানান, জেনী নব্য জেএমবি সংগঠনের অন্যান্য সদস্যদের কাছে আইইডি সরবরাহসহ বড় ধরনের নাশকতার জন্য জঙ্গিদের উদ্বুদ্ধ করে আসছিল। রাজধানীর উত্তরার নিজ বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ আইইডি সামগ্রীসহ তাকে আটক করেন র‍্যাব-১০ এর সদস্যরা।

জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর বলেন, ‘গত ২০ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত তামিম-সারোয়ার গ্রুপের ১৬ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আগের গ্রেফতারকৃত সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ক্যান্টনমেন্টের কাছে একটি সরকারি স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা ছিল তাদের। আর তাদেরকে প্রয়োজনীয় আইইডি সরবরাহ করে জেনী। এমন তথ্যের ভিত্তিতে এই আইটি বিশেষজ্ঞ জেনীকে খোজা শুরু করে র‍্যাব। পরে বুধবার ভোরে তাকে উত্তরার নিজ বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ আইইডি সামগ্রীসহ আটক করা হয়।’



তিনি বলেন, ‘১০০ মিটার দূর থেকে বিস্ফোরণ ঘটানো সম্ভব এমন আইইডি প্রস্তুত করতে সক্ষম জেনী। সেগুলোর বিস্ফোরণ রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ঘটানো সম্ভব।’

সে জঙ্গিবাদে জড়ানোয় কেউ জানত কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বাবা মৃত রফিকুল ইসলাম একজন স্বনামধন্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। তবে ছেলে জঙ্গিবাদে জড়ানো সম্পর্কে তার মা জানতেন বলে র‍্যাব জানতে পেরেছে। কেন তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাননি এমন প্রশ্নের জবাবে তার মা র‍্যাবকে বলেন, তাকে ধরে ফেলার ভয়ে আমি জানাইনি। তবে, আমি জানতাম একদিন আপনারা তাকে ধরে ফেলবেন। তার আইইডি ডিভাইস ঢাকার বাইরে কোনো এক জায়গায় সফলভাবে পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ ঘটায় বলেও জানতে পেরেছে র‍্যাব। ব্যাটারির পানি ও এসিটনের সংমিশ্রণে বিস্ফোরক তৈরি করে তা বৈদ্যুতিক বাল্বের আলোর সাহায্যে উত্তপ্ত করে বিস্ফোরণ ঘটানো হত। জেনী নিজের বাড়ির ফ্যান, লিফট, এসি, পানির মোটর রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করত বলে জানান এই কর্মকর্তা।

গত ২০ মার্চ বাড্ডা থেকে নাশকতার চেষ্টায় ধৃত ওয়ালী জামান ও আনোয়ার নব্য জেএমবির সদস্য ও বুয়েটের ছাত্র। তারা জেনীর সহপাঠী ও সহযোগী ছিল।

মুশফিকুর রহমান ওরফে মুশফিক মার্টিন জেনীকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সাথে আর কে জড়িত আছে বা তার আরো কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো যাবে বলে জানান র‍্যাব-১০ এর সিও জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর।

Post A Comment: